মঙ্গলবার ● ৮ এপ্রিল ২০২৫
প্রথম পাতা » Default Category » পটুয়াখালীতে হত্যা মামলায় ২৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
পটুয়াখালীতে হত্যা মামলায় ২৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
বজ্রকণ্ঠ সংবাদ :::
![]()
পটুয়াখালীর বাউফলে একটি হত্যা মামলায় ২৩ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে পটুয়াখালীর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. এনামুল করিম এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—আবুল কাশেমের ছেলে মো. হাফিজুর রহমান (২৭), আব্দুর রহমান সরদারের ছেলে তোফায়েল সরদার (৩৯), জালাল সরদারের ছেলে মো. শামীম সরদার (৩৫), সেকান্দার সরদারের ছেলে এলমাছ সরদার (৩৪), গেদু সরদারের ছেলে মো. সোহরাব সরদার (৪৭), আব্দুর কাদের মল্লিকের ছেলে মো. নাঈম মল্লিক (৫৭), আব্দুর রাজ্জাক সরদার (৪২), জয়নাল সরদারের ছেলে মুসা সরদার (৩২), সামসু সরদার (৩৪), চারু সরদারের ছেলে মাওলা সরদার (৩৯) ও ইউসুফ সরদার (৩৭), সামসুল হকের ছেলে ফরিদ আহম্মেদ (৬১), আব্দুল খালেকের ছেলে জসিম সরদার (৪১), ছোবহান হাওলাদারের ছেলে বাবলু (৪৫), মো. কাদের তালুকদারের ছেলে মো. ডালিম তালুকদার (৩১), মৃত হাসেম আলী সিকদারের ছেলে মো. ফিরোজ সিকদার (৪৩), হারুন গাজীর ছেলে হাসান গাজী (৩২), মৃত গেদু সরদারের ছেলে সেকান্দার সরদার (৫৭), মাতাহার মাস্টারের ছেলে মো. জামাল (৩৫), চুন্নু মিয়ার ছেলে শামীম হাওলাদার (২৮), আব্দুল খালেক সরদারের ছেলে জহিরুল ইসলাম বাবুল (৫২), ছত্তার সরদারের ছেলে মন্টু সরদার (৩৫) এবং শিরু সরদারের ছেলে মো. দুলাল সরদার ওরফে ভয় (৪৫)। সাজাপ্রাপ্তরা সবাই বাউফল উপজেলার কালিশুরী ইউনিয়নের বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ কালিশুরী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন চলাকালে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থীর এজেন্ট সাইদুর রহমান সোহেল মল্লিকের বাড়িতে হামলা চালান আসামিরা। ওই হামলায় সোহেলের বাবা আব্দুল ওহাব মল্লিক গুরুতর আহত হন। পরদিন ২১ মার্চ তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে সাইদুর রহমান সোহেল মল্লিক বাদী হয়ে বাউফল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ২০১৮ সালে মামলার চার্জশিট দাখিল করে। দীর্ঘ সাত বছরের বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আজ এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার বাদী সাইদুর রহমান সোহেল বলেন, আমার বাবা হত্যার দীর্ঘদিন পর আমরা ন্যায়বিচার পেলাম। বিচার বিভাগকে ধন্যবাদ জানাই। এখন আমার বাবার আত্মা শান্তি পাবে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি অ্যাডভোকেট মো. ফরিদ হোসেন বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে, কোনো অপরাধীই আইনের হাত থেকে রেহাই পায় না। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আমরা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পেরেছি।
তবে আসামিদের পরিবার এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। তারা দাবি করেন, এই রায় একপেশে ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। প্রকৃত অপরাধীরা আজও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করব।
বিষয়: #কারাদণ্ড #পটুয়াখালী #মামলা #যাবজ্জীবন #হত্যা




দেশ ও দেশের সার্বিক উন্নয়নে ধানের শীষে ভোট দিন-মিলন
দেশের উপকূল, নদী তীরবর্তী অঞ্চল ও সেন্টমার্টিনের নিরাপত্তায় কোস্টগার্ড পূর্ব জোন
বিপিএল বা জাতীয় দলের খেলাই দেশের ক্রিকেটের সবকিছু নয়: আসিফ
নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যাংকারদের পোস্টাল ব্যালটের অ্যাপে নিবন্ধনের নির্দেশ
সুনামগঞ্জ–৫ আসন আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন জাহাঙ্গীর আলম
মাধব চন্দ্র রায় এর অবসরজনিত বিদায় উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে
নবীগঞ্জে সময়ের আলো সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে ২শতাধীক ছিন্ন মূল মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ
অভিবাসন প্রত্যাশীদের ভিসা যাচাইয়ে আইভিআর সেবা চালু করল ‘আমি প্রবাসী’
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় মোংলায় মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত
আমরা শিশু
