রবিবার ● ৮ মার্চ ২০২৬
প্রথম পাতা » প্রধান সংবাদ » একই কাজে দ্বৈত বিল, দুদকের তদন্ত শুরু
একই কাজে দ্বৈত বিল, দুদকের তদন্ত শুরু
“ছাতক–সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন মেগা প্রকল্পে লুটপাটের অভিযোগ,কোটি কোটি টাকার মালামাল গায়েব, সিন্ডিকেটে ‘সাগরচুরি”
ছাতক সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি::
![]()
সিলেট বিভাগের বিদ্যুৎ উন্নয়নের নামে নেওয়া ২ হাজার ৫৩ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প এখন দুর্নীতির অন্ধকার ছায়ায় ঢাকা পড়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে একই কাজের জন্য দ্বৈত বিল উত্তোলন, বিপুল পরিমাণ শত শত তামার ও ক্যাবল তারের ড্যাম লোহার সামগ্রী সরকারি কোটি কোটি টাকার মালামাল গায়েব, নিম্নমানের সরঞ্জাম ব্যবহার এবং ঠিকাদার–সিলেট অঞ্চলে প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল কাদির ও প্রকল্পের নিবাহী প্রকৌশলী জিয়াউল হক জিয়া,ছাতক বিউবো নিবাহী প্রকৌশলী আব্দুল মজিদ,সহকারি প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান,সাবেক আওয়ামীলীগের সিলেট সাংগঠনিক নাদির আলমসহ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ২হাজার ৫৩ কোটি টাকার হরিলুটের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে লিখিতভাবে ইতোমধ্যেই পৌঁছেছে দেয়া হয়েছে। এসব সাগর চুরি হরিলুটের অভিযোগের আলোচিত ঘটনায় ধামাচাপা দিতে দুনীতিবাজ সিলেটের বিউবো প্রধান প্রকৌশলী ও নিবাহী প্রকৌশলীর পক্ষে একটি প্রভাবশালী চত্রু কোমড় বেধে মাঠে নেমেছেন।
সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার—এই চার জেলার বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের লক্ষ্যে হাতে নেওয়া “বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্প, সিলেট বিভাগ” ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।কিন্তু স্থানীয় মানুষের অভিযোগ—প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে বিপুল অর্থ, কিন্তু মাঠে দেখা যায়নি তেমন কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন। স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ—জনগণের দীর্ঘদিনের বিদ্যুৎ সংকট নিরসনের কথা বলে শুরু হওয়া এই প্রকল্প এখন কিছু অসাধু দুনীতিবাজ প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের জন্য ‘লুটের মাঠে’ পরিণত হয়েছে।
প্রকল্পের আড়ালে দুর্নীতির অভিযোগ।সূত্র জানায়, সিলেট বিভাগের বিদ্যুৎ অবকাঠামো আধুনিকায়ন ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রায় ২ হাজার ৫৩ কোটি টাকার এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ২০১৬ সালের ১১ মার্চ পরিকল্পনা কমিশনের প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভায় প্রকল্প প্রস্তাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। পরে ২০১৯ সালের জুলাই মাসে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রকল্পটি অনুমোদন দেয়।
প্রাথমিকভাবে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ১ হাজার ৬৯৪ কোটি টাকা। পরে সংশোধিত প্রস্তাবে ব্যয় বাড়িয়ে করা হয় প্রায় ১ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা সরকারি অর্থায়ন এবং বাকি অর্থ বহনের কথা ছিল বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি)।
কিন্তু প্রকল্পের শুরু থেকেই এর ব্যয় ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ওঠে। ছাতক ও সিলেটের বিদ্যুৎ বিভাগের শনিরদশায় পরিনত হয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশনের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছিল, প্রকল্পে বিভিন্ন উপকরণের মূল্য বাজারদরের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে বেশি ধরা হয়েছে।
উদাহরণ হিসেবে বলা হয়, ৩৩ কেভি ওভারহেড লাইনের প্রতি কিলোমিটার নির্মাণ ব্যয় যেখানে সর্বোচ্চ ৩৪ লাখ টাকা হওয়ার কথা, সেখানে প্রকল্পে তা ধরা হয়েছে প্রায় ৪২ লাখ টাকা।
একইভাবে সাবস্টেশন নির্মাণ, ট্রান্সফরমার স্থাপনসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর ব্যয়ও স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি নির্ধারণ করা হয়েছে।
৩৬০০ খুঁটির জায়গায় বসেছে মাত্র ৯০০ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২ হাজার ৫০০ কিলোমিটার নতুন বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণ, প্রায় ৩ হাজার কিলোমিটার পুরনো লাইন সংস্কার, ২২টি জিআইএস সাবস্টেশন স্থাপন ও সংস্কার, ১৭টি গ্রিড সাবস্টেশনের সম্প্রসারণ এবং প্রায় ৩ হাজার ৪৮৫টি বিতরণ স্টেশন স্থাপন ও সংস্কারের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু মাঠপর্যায়ে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। স্থানীয় সূত্র জানায়, সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার বিউবো গ্রিড থেকে গোবিন্দগঞ্জ ট্রাফিক পয়েন্ট হয়ে রাউলী সাবস্টেশন পর্যন্ত ৩৩ কেভি লাইনের কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালে। প্রকল্প অনুযায়ী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সাত বছরেও কাজ শেষ হয়নি।অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পে ৩ হাজার ৬০০টি খুঁটি বসানোর কথা থাকলেও বাস্তবে বসানো হয়েছে মাত্র প্রায় ৯০০টি। সিলেট সুনামগঞ্জ সড়কের পাশে পৃথক পৃথক স্থানে শত শত খুটি পড়ে আছে। প্রকল্পের মুল্যবান শত শত ড্যাম ক্যাবল তার ট্রান্সফরমান ও লোহার সামগ্রী গায়েব করেছে বিউবো প্রকৌশলী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্টান।
একই কাজে দ্বৈত বিল প্রকল্প ঘিরে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে একই কাজের জন্য একাধিকবার বিল উত্তোলনের ঘটনায় আলোচিত । স্থানীয়দের দাবি, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতিটি এলাকায় প্রায় ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০টি খুঁটি বসানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে অনেক জায়গায় কাজ অসম্পূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব কাজের মধ্যে ৭০০ থেকে ৮০০ খুঁটির কাজ স্থানীয় ছোট ঠিকাদারদের দিয়ে করানো হয়েছে। এরপর একই কাজের জন্য একদিকে প্রকল্প থেকে বিল তোলা হচ্ছে, অন্যদিকে ডিভিশন থেকেও আলাদা করে বিল উত্তোলন করা হচ্ছে। অর্থাৎ একই কাজের জন্য দুইবার বিল তুলে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে।
মালামাল গায়েবের অভিযোগ প্রকল্পের আওতায় সরকার বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ সামগ্রী বরাদ্দ দেয়।
এর মধ্যে ছিল খুঁটি, কেবল, ট্রান্সফরমার ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ—এসব মালামালের বড় একটি অংশের কোনো হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক স্থানে খুঁটি পড়ে থাকতে দেখা গেলেও বিপুল পরিমাণ কেবল ও সরঞ্জাম গায়েব হয়ে গেছে। সরকারি স্টোররুমেও এসব মালামাল জমা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের ভাষায়—প্রকল্পের এক-তৃতীয়াংশ মালামাল ব্যবহার করে কাজ আংশিক দেখানো হয়েছে। এরপর আবার নতুন টেন্ডারের মাধ্যমে নতুন মালামাল কেনার নামে কোটি কোটি টাকার বিল তোলা হচ্ছে।
এদিকে হাজী শহীদ তালুকদার ও তার শ্যালক মাসুম চৌধুরী ও ফাহাদসহ ৭জনের নামে ছাতক থানায় ৫কোটি টাকার চাদাবাজি মামলায় দায়ের করেন। এ মামলাটি নিম্পতি লক্ষে ৫০ লাখ টাকা শেষ করার গোপন চুক্তি করেন বিএনপির জনৈক এক নেতা। তার বাড়ি হচ্ছে ছাতকে। এমামলায় আসামী হাজী শহীদ তালুকদার ও ছাতক বিউবো ঠিকাদার আজিজুর রহমান,ও প্রকল্পের নিবাহী প্রকৌশলী জিয়াউল হক জিয়া,সিলেট অঞ্চলে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর আব্দুল কাদিরসহ একটি গোপন বৈঠক অনুষ্টিত হয়। পুলিশ সাক্ষীসহ অভিযুক্ত করে সুনামগঞ্জ আদালতে চাজশীট দাখিল করেছেন।
ঠিকাদারি সিন্ডিকেটের অভিযোগ সূত্র জানায়, ছাতক গোবিন্দগঞ্জ হয়ে সিলেট–সুনামগঞ্জ সড়কের পাশে রাউলী পর্যন্ত ৩৩ কেভি লাইনের কাজ প্রথমে দুলাল পাল নামে এক ঠিকাদার শুরু করেন। তিনি আংশিকভাবে লাইনের তার টানানোর কাজ করলেও কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই নতুন করে আরেকটি এস্টিমেট তৈরি করা হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, ছাতক বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল মজিদ ও সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসানের স্বাক্ষরে সড়ক ও জনপথ বিভাগের উন্নয়নের স্বার্থ দেখিয়ে প্রায় ১৩ কোটি ৭২ লাখ টাকার নতুন এস্টিমেট অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে টি আর এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজের দায়িত্ব পেলেও অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির মালিক আজিজুর রহমান মাত্র ২৪ লাখ টাকার বিনিময়ে কাজটি “সানরাইজ ইন্টারন্যাশনাল” নামের আরেক প্রতিষ্ঠানের মালিক খোকা নামের এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দেন। ফলে পুরো প্রকল্প বাস্তবায়নে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে ওঠার অভিযোগ উঠেছে।
ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রকল্পের আওতায় নতুন লাইন ও ট্রান্সফরমার বসানোর নামে গ্রাহকদের কাছ থেকেও টাকা আদায় করা হয়েছে। ছাতক, দোয়ারাবাজার, জগন্নাথপুর, দিরাই ও শান্তিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়—নতুন লাইন বসাতে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা ট্রান্সফরমার বসাতে ৬ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, এভাবে প্রায় ৪০ কোটি টাকার বেশি ঘুষ আদায় করা হয়েছে।
দুদকের তদন্ত শুরু এই প্রকল্পে অনিয়ম, ভুয়া বিল উত্তোলন ও দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন—
সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল কাদির নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়াউল হক জিয়া প্রকল্প সংশ্লিষ্ট আরও প্রায় ২০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ঠিকাদার তাদের বিরুদ্ধে একাধিক লিখিত অভিযোগ ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী ও বিদ্যুৎ মন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়দের ক্ষোভ স্থানীয়দের অভিযোগ—হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের পরও মাঠে তেমন কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখা যায়নি। একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন,বিদ্যুৎ উন্নয়নের নামে এত বড় প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, কিন্তু বাস্তবে উন্নয়নের চেয়ে দুর্নীতির গল্পই বেশি শোনা যাচ্ছে।”
সচেতন নাগরিকদের মতে, প্রকল্পের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সব আর্থিক লেনদেন, মালামালের হিসাব এবং কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখলে প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে।
কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) চন্দন কুমার সূত্রধর বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়। তবে প্রকল্পে কোনো অনিয়ম থাকলে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। অন্যদিকে নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়াউল হক জিয়া অভিযোগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এছাড়া অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল কাদিরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করে ব্যস্ততার কথা বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।
তদন্তের দাবি স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি—বিদ্যুৎ উন্নয়নের নামে নেওয়া এই হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে যদি সত্যিই অনিয়ম হয়ে থাকে, তবে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে।।একই সঙ্গে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া এবং লুট হওয়া সরকারি অর্থ উদ্ধার করার দাবি জানিয়েছেন তারা। তাদের প্রশ্ন—জনগণের করের টাকায় নেওয়া এই মেগা প্রকল্প কি সত্যিই বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করবে, নাকি দুর্নীতির আরেকটি নজির হয়ে ইতিহাসে জায়গা নেবে? প্রকল্পে ২০৫৩কোটি টাকার ‘হাওয়া’—কোথায় গেল উন্নয়ন? ক্ষমতার ছায়ায় সিলেট অঞ্চলে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল কাদির ও প্রকল্পের নিবাহী প্রকৌশলী জিয়াউল হক জিয়াসহ প্রভাবশালী সিন্ডিকেট একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরি করেন। স্থানীয় ঠিকাদারদের বাদ দিয়ে নিজের পছন্দের একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে কাজ পাইয়ে দিতে শুরু করেছেন তারা।
বিষয়: #একই #কাজ #তদন্ত #দুদক #দ্বৈত #বিল #শুরু










দৌলতপুর সীমান্তে ব্যাটালিয়ন বিজিবি’র পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক, অবৈধ ঔষধ ও ভারতীয় পণ্য উদ্ধার।
চট্টগ্রামে শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে আসা সিগারেট ও কার্গো বোটসহ আটক ২
ছাতক সিলেট বিউবো প্রকল্পে হাজার কোটি টাকার তামার তার গায়েব! ছাতক–সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন প্রকল্পে ‘সাগরচুরি’, ৮ বছরেও কাজ শেষ নয়**
হবিগঞ্জ সীমান্তে ৫৫ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মদ ও বিয়ার জব্দ
ঝিনাইদহে বাসে আগুন ও পাম্প ভাঙচুরের ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৭ নেতা গ্রেফতার
সৌদির বৃহৎ তেল খনিতে ইরানের হামলা
রাজধানীতে চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
এতেকাফের ফজিলত!
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সৌদি আরবে বাংলাদেশিসহ নিহত ২
টানা জয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ট্রফি ধরে রাখল ভারত 