রবিবার ● ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রথম পাতা » প্রধান সংবাদ » মূল্যস্ফীতির চাপে হবিগঞ্জ ও সিলেটে বাড়ি ভাড়া নিয়ে অস্থিরতা: সরকারি নীতিমালার কঠোর প্রয়োগের দাবি
মূল্যস্ফীতির চাপে হবিগঞ্জ ও সিলেটে বাড়ি ভাড়া নিয়ে অস্থিরতা: সরকারি নীতিমালার কঠোর প্রয়োগের দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক | সিলেট ও হবিগঞ্জ | ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
![]()
সিলেট ও হবিগঞ্জের শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রসারের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে জীবনযাত্রার ব্যয়। বর্তমানে দেশের উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির (Inflation) প্রভাব সরাসরি পড়েছে এই অঞ্চলের আবাসন খাতে। নিত্যপণ্যের দামের উর্ধ্বগতির দোহাই দিয়ে অনেক ক্ষেত্রে নিয়মবহির্ভূতভাবে বাড়ি ভাড়া বাড়ানোর অভিযোগ উঠছে, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ভাড়াটেদের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সিলেট ও হবিগঞ্জের বর্তমান চিত্র
সিলেট নগরীর উপশহর, আম্বরখানা ও দক্ষিণ সুরমার আবাসন এলাকা এবং হবিগঞ্জের উত্তর শ্যামলীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় গত এক বছরে বাড়ি ভাড়া উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। প্রবাসীদের আধিক্য থাকায় সিলেটে সব সময়ই ভাড়ার চাহিদা বেশি থাকে, তবে মুদ্রাস্ফীতির কারণে এখন সাধারণ চাকুরিজীবী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা হিমশিম খাচ্ছেন।
ভাড়াটে ও মালিকদের স্বার্থে রেন্ট রিভিউ পলিসি
সরকারি গাইডলাইন ও আইন অনুযায়ী, এই দুই অঞ্চলের জন্য নিচের নীতিমালাগুলো মানা জরুরি:
ভাড়া বৃদ্ধির সময়সীমা: ‘বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১’ অনুযায়ী, একবার ভাড়া নির্ধারণ করা হলে পরবর্তী ২ বছরের আগে কোনোভাবেই ভাড়া বাড়ানো যাবে না।
সিলেট ও হবিগঞ্জের প্রেক্ষাপটে ভাড়া: কোনো এলাকার ভাড়া বৃদ্ধির হার সেই সম্পত্তির বাজার মূল্যের ১৫ শতাংশের বেশি হওয়া আইনত দণ্ডনীয়। মুদ্রাস্ফীতির কারণে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বাড়লেও তা যেন ভাড়াটেদের সাধ্যের বাইরে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অগ্রিম ও রশিদ: হবিগঞ্জ ও সিলেটে অনেক ক্ষেত্রে অগ্রিম টাকা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। আইন অনুযায়ী, বাড়িওয়ালা সর্বোচ্চ ১ থেকে ৩ মাসের অগ্রিম নিতে পারবেন এবং ভাড়ার বিনিময়ে অবশ্যই স্বাক্ষরিত রশিদ প্রদান করতে হবে।
নিরাপত্তা ও পরিষেবা নিশ্চিতকরণ
নতুন নির্দেশনায় ভাড়াটেদের নিরাপত্তার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বহুতল ভবনের ক্ষেত্রে মূল ফটক এবং ছাদের চাবি (জরুরি প্রয়োজনে) নিশ্চিত করা এবং সিসিটিভি ক্যামেরা বা নিরাপত্তা প্রহরীর ব্যবস্থা করার বিষয়েও তদারকি বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয়দের মন্তব্য
সিলেটের একজন আবাসন বিশেষজ্ঞ জানান, “মুদ্রাস্ফীতির এই সময়ে ভাড়াটে এবং মালিক—উভয় পক্ষই চাপে আছেন। তবে বাড়ির মালিকরা যদি নিয়মের বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করেন, তবে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। প্রত্যেক ভাড়াটের উচিত লিখিত চুক্তিনামা সংরক্ষণ করা।”
হবিগঞ্জের স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি করা হলে অযৌক্তিক ভাড়া বৃদ্ধি এবং অগ্রিম টাকা নিয়ে হয়রানি বন্ধ করা সম্ভব হবে।
বিষয়: #অস্থিরতা #কঠোর #চাপে #দাবি #নিয়ে #নীতিমালা #প্রয়োগের #বাড়ি #ভাড়া #মূল্যস্ফীতির #সরকারি #সিলেটে #হবিগঞ্জ










শিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযান: ২৮ লাখ টাকার ভারতীয় মোবাইল জব্দ
রাণীনগরে এই প্রথম পরীক্ষামূলক পান চাষ শুরু করেছেন চাষি শহিদুল ইসলাম
টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে বিদেশি পিস্তলসহ মানবপাচারকারী আটক
যান্ত্রিক ত্রুটিতে বন্ধ বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
নাসিরনগরের কৃতি সন্তান এস. এম. আবদুল্লাহর ইন্তেকাল
বজ্রকণ্ঠ: আজকের প্রধান সংবাদ (২৪ এপ্রিল, ২০২৬) অনলাইন নিউজ পোর্টাল: www.bojrokontho.com
নবীগঞ্জে কলেজ ছাত্র মঞ্জুর হত্যা মামলার মূল হোতা হেলালসহ গ্রেফতার ৩
বগুড়ায় অসুস্থ অসহায় রোগীদের দেখতে হাসপাতালে সাবেক এমপি লালু
রাণীনগরে অর্ধলাখ টাকার নকল জুস ও পন্য ধংস 