বৃহস্পতিবার ● ১ জানুয়ারী ২০২৬
প্রথম পাতা » বিশেষ » খালেদা জিয়ার সমাধিস্থল সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত
খালেদা জিয়ার সমাধিস্থল সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত
বজ্রকণ্ঠ ::
![]()
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিস্থল সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে সর্বসাধাণের প্রবেশের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
সাধারণ মানুষসহ দলীয় নেতা-কর্মীদের অনেকে খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সকাল থেকে ওই এলাকায় ভিড় করেন। উদ্যান বন্ধ থাকায় বিজয় স্মরণি মোড়ে উদ্যানের প্রবেশ মুখে ব্যারিকেডে অপেক্ষায় থাকেন অনেকে। সমাধিস্থলে যেতে না পেরে অনেকে সড়কে দাঁড়িয়ে দোয়া করেন।
জানা যায়, সংস্কার কাজ চলমান থাকায় বন্ধ রাখা হয় ভেতরে প্রবেশ। এখন তা উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। পুরো উদ্যানের নিরাপত্তায় পুলিশের পাশাপাশি রয়েছে অন্য বাহিনীর সদস্যরাও।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব আবদুল মালেকের ইমামতিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিকেল পৌনে ৫টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়।
গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়া মারা যান।
উল্লেখ্য, গত ২৩ নভেম্বর ফুসফুসের সংক্রমণজনিত শ্বাসকষ্ট নিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে নিউমোনিয়া দেখা দেয় এবং কিডনি, লিভার, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসসহ পুরোনো জটিলতা আরও বেড়ে যায়।
শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়, যেখানে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।
বিষয়: #উন্মুক্ত #খালেদা #জন্য #জিয়া #সমাধিস্থল #সর্বসাধারণ




রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন
বুধবার বাদ জোহর স্বামীর কবরের পাশে শায়িত হবেন খালেদা জিয়া
“সমাজ সেবায় অবদান” / “Contribution to Society”
ডিসেম্বরের ২৭ দিনে প্রবাসী আয় ৩৩ হাজার কোটি টাকা
১৭-১৮ মিনিটের ভাষনে কোন স্বজন হারানোর ব্যাথা ছিলো না
আমাদের নিম্নলিখিত অঞ্চল থেকে সংবাদ প্রতিবেদক প্রয়োজন…
কেবল চেতনা নয়, চাই ঐক্য ও কাজ: কোন পথে বাংলাদেশ?
১৯৭১ সালের ২৫ এপ্রিল বানিয়াচং উপজলার কালাইনজুড়া এবং হলদারপুর গ্রামে পাকবাহিনীর বিমান হামলা ও কিছু স্মৃতিকথা।
একটি বিশেষ প্রতিবেদন গানে গানে সংস্কারের কথা বলে গেছেন বাউল কামাল পাশা
