রবিবার ● ১৭ মে ২০২৬
প্রথম পাতা » বিশেষ » জনগণের অর্থ ও রাষ্ট্রপ্রধানদের চিকিৎসা বিতর্ক: রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের লন্ডন সফরের ভেতরের খবর
জনগণের অর্থ ও রাষ্ট্রপ্রধানদের চিকিৎসা বিতর্ক: রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের লন্ডন সফরের ভেতরের খবর
“বজ্রকণ্ঠ বিশেষ প্রতিবেদন:
সৈয়দ মিজান, প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও, বজ্রকণ্ঠ ::
![]()
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি কিংবা প্রধানমন্ত্রীর সাংবিধানিক পদমর্যাদা, সুযোগ-সুবিধা এবং তাঁদের বিদেশ সফর নিয়ে সাধারণ জনগণের মনে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষ করে একটি উন্নয়নশীল দেশের জনগণের ট্যাক্সের টাকায় রাষ্ট্রপ্রধানদের রাজকীয় প্রটোকল ও চিকিৎসা ব্যয় বহন করা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রায়শই তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়। সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের লন্ডন সফরকে কেন্দ্র করেও জনমনে অনুরূপ গুঞ্জন ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে দাবি করছেন, গরীব দেশের জনগণের পয়সায় ডাক্তার দেখানোর উসিলায় রাষ্ট্রপতি লন্ডনে বিলাসবহুল শপিং মল ‘হ্যারডস’-এ বাজার করে সময় কাটাচ্ছেন। ক্ষমতার সিংহাসনে বসলে কেউ আর রাজসিক সুখ ত্যাগ করতে চায় না—এমন দরদহীন ব্যবস্থার পরিবর্তন চান সাধারণ নাগরিকরা।
তবে বাস্তবতার নিরিখে এবং বঙ্গভবন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, রাষ্ট্রপতির এই লন্ডন সফরটি সম্পূর্ণ প্রমোদভ্রমণ নয়, বরং এটি ছিল একটি জরুরি ও নিয়মিত মেডিকেল ফলো-আপ। ২০২৩ সালের অক্টোবরে সিঙ্গাপুরে তাঁর একটি জটিল ‘কার্ডিয়াক বাইপাস সার্জারি’ হয়েছিল। চিকিৎসকদের পরামর্শে গত ৯ মে ২০২৬ তারিখে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইটে (BG-201) লন্ডনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন।
যুক্তরাজ্যের বিশেষায়িত হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন গত সপ্তাহে রাষ্ট্রপতির হৃদযন্ত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন ‘ব্লক’ শনাক্ত হয়। ফলশ্রুতিতে চিকিৎসকদের জরুরি সিদ্ধান্তে তাঁর হার্টে সফলভাবে এনজিওপ্লাস্টি ও স্টেন্ট (রিং) স্থাপন করা হয়েছে। বর্তমানে লন্ডনের হোটেল হিলটনে তিনি বিশ্রামে আছেন এবং সেখানেই সুদানের প্রধানমন্ত্রী ড. কামিল ইদ্রিস তাঁর সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকারে মিলিত হয়ে তাঁর আরোগ্য কামনা করেন।
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপ্রধানদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসার ব্যয় রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে বহন করার নিয়ম পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই বিদ্যমান। তবে ক্ষমতার অপব্যবহার বা বিলাসবহুল জীবনযাত্রার অবসান ঘটিয়ে রাষ্ট্রীয় অর্থের সর্বোচ্চ সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করা হোক—এটাই দেশের সচেতন জনগণের প্রত্যাশা। সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আগামী ১৮ মে রাষ্ট্রপতির দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
বিষয়: #অর্থ #জনগণ










ঢাকার আকাশে ভিন্ন এক দৃশ্য, চোখ ফেরাতে পারছেন না কেউ
উপ্ত-সুপ্ত-গুপ্ত-লুপ্ত: রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব
দেখে কিছু বুঝি নাই, চেখে পেলাম রসের সাগর
র্যাকের ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ এক বছরে ব্র্যাকের সেবা পেয়েছেন ২ কোটি ৬০ লাখ মানুষ
কেন ২০২৬ সালের স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির ভরাডুবি হচ্ছে?
অভিবাসন ও অভিবাসীদের বিষয়ে তাঁর নীতিসমূহ
বিপদসীমায় সুতাং: মাছের পেটে প্লাস্টিক, জনস্বাস্থ্যে চরম ঝুঁকি
কুমিরের পিঠে চড়ে ’সাধু বাবুর’ বাংলা জয়!
লাগামহীন মূল্যস্ফীতি: বাড়ি ভাড়া নিয়ে নতুন গাইডলাইন জারি, বিপাকে ভাড়াটে ও মালিক উভয়েই 