সোমবার ● ২ মার্চ ২০২৬
প্রথম পাতা » বিনোদন » রাজনৈতিক ট্যাগ নিয়ে মুখ খুললেন ইয়ামি
রাজনৈতিক ট্যাগ নিয়ে মুখ খুললেন ইয়ামি
বিনোদন ডেস্ক::
![]()
ভারতের বৈশ্বিক উপস্থিতি আজ শুধু কূটনীতি বা অর্থনীতির পরিসংখ্যানে সীমাবদ্ধ নয়; সিনেমা ও সংস্কৃতিও সমানভাবে সেই পরিচয় নির্মাণ করছে। ফলে চলচ্চিত্র নিয়ে আলোচনা এখন কেবল অভিনয় বা বক্স অফিস ঘিরে নয়; বরং ছবির ভাবনা, বক্তব্য ও দৃষ্টিভঙ্গিকেও কেন্দ্র করে। এ পটভূমিতেই নিউজ১৮ রাইজিং ভারত সামিট ২০২৬-এর মঞ্চে উঠে খোলামেলা কথা বললেন ইয়ামি গৌতম। সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল ‘স্ট্রেংথ উইদিন’। সেখানে তিনি এমন এক প্রশ্নের জবাব দিলেন, যা অনেক অভিনেতাই এড়িয়ে যান।
আলোচনায় ইয়ামিকে জিজ্ঞেস করা হয়, এমন কি কখনো হয়েছে যে কোনো নির্মাতা বলেছেন, ‘তোমাকে নিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তুমি ওই ছবি করার পর আর নিতে চাই না?’ প্রশ্নটি ছিল স্পর্শকাতর। তবে ইয়ামি জবাব দিলেন ভাবনাচিন্তা করে, কোনো রক্ষণাত্মক ভঙ্গি ছাড়াই। তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে এমন অভিজ্ঞতা তাঁর হয়নি। হয়তো তিন-চার বছর আগে এমন আশঙ্কা বা দ্বিধা কারও মনে থাকতে পারে। কিন্তু এখন তিনি যে ধরনের ছবি করছেন এবং পরিচালকরা তাঁকে যে ধরনের চরিত্রে ভাবছেন, সেখানে এমন মানসিকতা আর দেখছেন না। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, সময় বদলেছে, বদলেছে শিল্পের দৃষ্টিভঙ্গিও।
ইয়ামি গৌতম এমন কয়েকটি ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন, যেগুলো রাজনৈতিক পটভূমিতে নির্মিত। এর মধ্যে রয়েছে ‘আর্টিকেল ৩৭০’ ও ‘হক’। এই ছবিগুলো ঘিরে নানা বিতর্ক ও আলোচনা হয়েছে। তবে ইয়ামির মতে, শেষ পর্যন্ত একটি ছবির মান নির্ধারিত হয় তার নির্মাণশৈলী দিয়ে, কেবল রাজনৈতিক অবস্থান দিয়ে নয়।
ইয়ামি বলেন, অনেকেই তাঁকে বার্তা পাঠিয়ে লিখেছেন, রাজনৈতিক মত যা–ই হোক, ছবিটি যে ভালোভাবে নির্মিত, তা অস্বীকার করা যায় না। বরং এমন ছবি দর্শককে ভাবতে বাধ্য করে—আমরা যা বিশ্বাস করি, তা কি একমাত্র সত্য? নাকি বিষয়টিকে অন্য দৃষ্টিকোণ থেকেও দেখা যায়?
ইয়ামির মতে, সিনেমার শক্তি এখানেই। এটি কোনো এজেন্ডা চাপিয়ে দেওয়ার মাধ্যম নয়; বরং প্রশ্ন তোলার এবং আলোচনার দুয়ার খুলে দেওয়ার শিল্পমাধ্যম।
আলোচনায় ইয়ামি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন, সত্য লুকিয়ে রাখা যায় না। কারণ, ক্যামেরা অত্যন্ত স্বচ্ছ। তাঁর ভাষায়, ক্যামেরা শুধু একজন অভিনয়শিল্পীর অভিব্যক্তি নয়, লেখকের মনোভাব ও পরিচালকের অভিপ্রায়ও ধরতে পারে।
অর্থাৎ অভিনয় কৃত্রিম হলে বা উদ্দেশ্য অস্পষ্ট হলে তা পর্দায় ধরা পড়বেই। তাই ইয়ামি বিশ্বাস করেন, সততা নিয়েই কাজ করতে হয়। কারণ, দর্শক শেষ পর্যন্ত আন্তরিকতাই অনুভব করেন।
ভারতের পরিবর্তিত বাস্তবতা নিয়েও কথা বলেন ইয়ামি। তাঁর মতে, এটি এক নতুন ভারত, যেখানে আধুনিক সিনেমাও নতুন ভাষা খুঁজে নিচ্ছে। পরিবর্তন শুধু সমাজে নয়, চলচ্চিত্রেও জরুরি। আর সেই পরিবর্তন দৃশ্যমানও হচ্ছে।
এ পরিবর্তনের অংশ হিসেবেই ইয়ামি দেখছেন নিজের যাত্রাকে। একসময় যেখানে শিল্পীরা ‘তকমা’ নিয়ে সতর্ক থাকতেন, এখন দর্শক ছবিকে তার গুণমান দিয়ে বিচার করছেন। বিষয়বস্তুর গভীরতা, নির্মাণশৈলী ও অভিনয়ের সততা—এসবই হয়ে উঠছে আসল মানদণ্ড।
ইয়ামি গৌতমের বক্তব্য থেকে যে বিষয় স্পষ্ট হয়, তা হলো আত্মবিশ্বাস। তিনি মনে করেন, শিল্পী হিসেবে নিজের সিদ্ধান্তের পাশে দাঁড়ানোই গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল হোক বা না হোক, যদি গল্পে বিশ্বাস থাকে, চরিত্রে সত্যতা থাকে, তবে কাজের মূল্যায়ন হবেই।
বিষয়: #ইয়ামি #খুললেন #ট্যাগ #নিয়ে #মুখ #রাজনৈতিক










‘দয়া করে আমাকে সিনেমায় নেবেন না’
রিলসে ‘বউদি’ মানেই যেন বাজে ইঙ্গিত, স্বস্তিকা বললেন…
স্বস্তিকা এবার ‘ছেলেধরা’, আসছেন নতুন চমক নিয়ে
দেশে এসেই নীলাঞ্জনার সঙ্গে ব্যস্ত নিলয়
পুলিশের দ্বারস্থ শ্রাবন্তী
আলোচিত এই মিসরীয় অভিনেত্রীকে কতটা চেনেন
অনেক টাকা আয় করলেও শেষে কিছুই থাকে না, শিল্পীদের সতর্ক করলেন তামান্না
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কোন বিষয়টা উপভোগ করছেন, জানালেন জয়া
সমালোচক নয় দর্শকের কথা ভাবেন রবি
