শুক্রবার ● ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
প্রথম পাতা » ধর্ম » রোজা ভঙ্গ ও মাকরুহ হওয়ার কারণ
রোজা ভঙ্গ ও মাকরুহ হওয়ার কারণ
বজ্রকণ্ঠ::
![]()
মহান আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক মুমিন বান্দাকে রমজান মাসে ফরজ রোজা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। যে ব্যক্তি রমজান মাসে রোজা রাখবে না তার জন্য জান্নাতে প্রবেশ কঠিন হয়ে পড়বে।
পবিত্র রমজান মাসে যারা রোজা রাখেন, তারা সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কিছুই মুখে দেন না। প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ ও সবল মুমিনের জন্য রোজা রাখা আবশ্যক। শুধু পানাহার থেকে বিরত থাকার নামই রোজা নয়, বরং রোজা রাখা অবস্থায় মেনে চলতে হয় বেশ কিছু নিয়মও। যার ব্যতিক্রম ঘটলে রোজা ভঙ্গ বা মাকরুহ হয়ে যায়।
রোজা ভঙ্গের কারণ
ইচ্ছা করে বমি করা
বমির বেশির ভাগ মুখে আসার পর তা গিলে ফেলা
মেয়েদের মাসিক ও সন্তান প্রসবের পর ঋতুস্রাব
ইসলাম ত্যাগ করলে
গ্লুকোজ বা শক্তিবর্ধক ইনজেকশন বা সেলাইন দিলে
প্রস্রাব-পায়খানার রাস্তা দিয়ে ওষুধ বা অন্য কিছু শরীরে প্রবেশ করালে
রোজাদারকে জোর করে কেউ কিছু খাওয়ালে
ইফতারের সময় হয়েছে ভেবে সূর্যাস্তের আগে ইফতার করলে
রোজা রাখা অবস্থায় সঙ্গীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করলে
ভুলবশত কোনো কিছু খেয়ে, রোজা ভেঙে গেছে ভেবে ইচ্ছা করে আরও কিছু খেলে
বৃষ্টির পানি মুখে পড়ার পর তা খেয়ে ফেললে
কান বা নাক দিয়ে ওষুধ প্রবেশ করালে
জিহ্বা দিয়ে দাঁতের ফাঁক থেকে ছোলা পরিমাণ কোনো কিছু বের করে খেয়ে ফেললে
অল্প বমি মুখে আসার পর ইচ্ছাকৃতভাবে তা গিলে ফেললে
রোজা স্মরণ থাকা অবস্থায় অজুতে কুলি বা নাকে পানি দেয়ার সময় ভেতরে পানি চলে গেলে। (ফাতাওয়ায়ে শামি ও ফাতাওয়ায়ে আলমগিরি)।
রোজা মাকরুহ হওয়ার কারণ
সারা দিন রোজা সঠিকভাবে করার পরেও সন্ধ্যায় ইফতারের সময় আপনি যদি এমন কোনো খাবার গ্রহণ করেন যেটি ইসলামের দৃষ্টিতে হারাম, তাহলে আপনার রোজাটি মাকরুহ হবে।
কোনো কারণ ছাড়াই কিছু চিবাতে থাকলে রোজা মাকরুহ হবে।
কোনো কিছু মুখে পুরে রাখলেন, খেলেন না তাতেও রোজা মাকরুহ হবে।
গড়গড়া করা বা নাকের ভেতর পানি টেনে নেওয়ায় রোজা মাকরুহ হয়। আর এসব করার সময় পেটে পানি চলে গেলে রোজা ভেঙে যায়।
মুখের লালা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় পেটে গেলে ক্ষতি নেই, তবে ইচ্ছাকৃত দীর্ঘ সময় মুখে থুতু ধরে রেখে পরে গিলে ফেললে রোজা মাকরুহ হবে।
রমজানের সারা দিন শরীর নাপাক রাখলেও রোজা মাকরুহ হবে।
পাউডার, পেস্ট ও মাজন দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করলে রোজা মাকরুহ হয়ে যায়।
মুখে গুল ব্যবহারে মাকরুহ হয় এবং থুতুর সঙ্গে গুল গলার ভেতর চলে গেলে রোজা ভেঙে যাবে।
রোজা রেখে কারো গীবত করলে বা পরনিন্দা করলে রোজা মাকরুহ হয়।
মিথ্যা কথা বলা মহাপাপ। রোজা রেখে এ কাজটি করলে তা মাকরুহ হবে।
রোজা রেখে ঝগড়া-বিবাদ করলে রোজা মাকরুহ হবে।
যৌন উদ্দীপক কিছু দেখা বা শোনা থেকে বিরত থাকতে হবে। এতেও রোজা মাকরুহ হয়।
নাচ, গান, সিনেমা দেখা ও তাতে মজে থাকলে রোজা মাকরুহ হয়।
রান্নার সময় রোজাদার কোনো কিছুর স্বাদ নিলে, লবণ চেখে দেখলে, ঝাল পরীক্ষা করলে মাকরুহ হয়। তবে বিশেষ প্রয়োজনে সেটা যদি করতেই হয়, তাহলে বৈধ হিসেবে ধরে নেয়া হয়।
বিষয়: #কারণ #ভঙ্গ #মাকরহ হওয়া #রোজা










জিলহজ্জ মাসের ফজিলত ও ইবাদত!
কোরবানির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও শিক্ষা: হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর ত্যাগের মহিমা! দুধরচকী ছাহেব
সু-সন্তান নির্মানে! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী’র ১০টি নির্দেশনা বাবা মায়ের মেনে চলা উচিৎ!
হজের গুরুত্ব ও ফজিলত! ।
দোয়া ও নফল ইবাদতে হোক বাংলা নববর্ষের সূচনা: আত্মজিজ্ঞাসার আহ্বান
জিলক্বদ মাসের ফজিলত ও ইবাদত!
নামায পরিত্যাগের ভয়াবহ পরিণতি: ইসলামী চিন্তাবিদ হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী’র বক্তব্য
পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।
ফিতরা কাদের দেওয়া যাবে এবং কাদের যাবে না?
জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় 