রবিবার ● ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
প্রথম পাতা » প্রধান সংবাদ » গনমিছিল সমাবেশে মিলন ও মিজান ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষে ভোট দিন, গণতন্ত্রকে বাঁচান।”
গনমিছিল সমাবেশে মিলন ও মিজান ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষে ভোট দিন, গণতন্ত্রকে বাঁচান।”
“ছাতক–দোয়ারাবাজারকে আধুনিক ‘মিনি টাউন’ গড়ার প্রতিশ্রুতি,উন্নয়ন–কর্মসংস্থান–নিরাপদ ভবিষ্যতের অঙ্গীকার!”
![]()
ছাতক সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জ–৫ (ছাতক–দোয়ারাবাজার) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ–সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন বলেছেন— “আপনার একটি মূল্যবান ভোটই বদলে দিতে পারে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভবিষ্যতের নতুন বাংলাদেশ। তিনি বলেন, জনগণের স্বপ্ন, উন্নয়ন ও নিরাপত্তাকে সামনে রেখে তিনি বিজয়ী হলে ছাতক–দোয়ারাবাজারের দুই উপজেলাকে পরিকল্পিতভাবে একটি আধুনিক মডেল ‘মিনি টাউনে’ রূপান্তর করা হবে। শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নিরাপদ সমাজ ব্যবস্থা হবে তাঁর কাজের প্রধান অঙ্গীকার।
ঐতিহাসিক নেতৃত্বের ধারাবাহিকতার উল্লেখ
সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কলিম উদ্দিন মিলন দেশের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি ঐতিহাসিক বাঁকবদলের উদাহরণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন—একাত্তরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে। আর চব্বিশ সালে জনতার রক্তের বিনিময়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ পুনর্গঠনের পথ উন্মুক্ত হয়েছে। এই বাংলাদেশ কখনোই রাজাকার ও স্বাধীনতা–বিরোধীদের হাতে তুলে দেওয়া যাবে না।
তিনি আরও বলেন, জাতির নিরাপত্তা, মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্রের রক্ষা আজ সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
তাই আসন্ন নির্বাচনে ছাতক–দোয়ারাবাজারের মানুষ ধানের শীষের পক্ষে দৃঢ়ভাবে অবস্থান নেবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন মিলন। তার ভাষায়—
“বাংলাদেশ যাদের হাতে নিরাপদ, জনগণ এবার ব্যালটের মাধ্যমে তাদেরই বিজয় নিশ্চিত করবে, ইনশাআল্লাহ।”
গণসমাগমে উৎসবমুখর পরিবেশ রোববার বিকেলে ছাতক পৌর শহরে বিএনপির আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনী সমাবেশ ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতা–কর্মী ও সাধারণ ভোটাররা দলে দলে সমাবেশস্থলে যোগ দিতে দেখা যায়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ছাতক উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ফরিদ উদ্দিন এবং সঞ্চালনা করেন পৌর বিএনপির আহবায়ক সামছুর রহমান সামছু।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মিলন ছাড়াও বিএনপি নেতাদের দৃঢ় অবস্থান স্পষ্ট হয়—এবারের নির্বাচন হবে পরিবর্তনের নির্বাচন, মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার পুনরুদ্ধারের ভোট দেবে।
ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যের ডাক সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী। তিনি বলেন—ছাতক।দোয়ারাবাজারের উন্নয়নের বিকল্প ধানের শীষ নয়। সকল শ্রেণীর মানুষকে একতাবদ্ধ হয়ে ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। মিলনই এই এলাকার উন্নয়ন–আকাঙ্ক্ষার প্রকৃত প্রতিনিধি।
তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এ জনপদের উন্নয়ন কার্যক্রম স্থবির হয়ে আছে। সড়ক–যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের বেহাল অবস্থা বদলাতে হলে গণতান্ত্রিক শক্তির বিজয় অপরিহার্য। বক্তব্যে উঠে আসে বঞ্চনা, আশা ও প্রত্যাশার কথা সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির নেতা আব্দুর রহমান, সাবেক আহবায়ক ফারুক আহমদ, নজরুল ইসলাম, শাহ সফিকুর আলম, ফজলুল করিম বকুল, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সামছুর রহমান বাবুল, পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর জসিম উদ্দিন সুমন, জয়নাল আবেদীন মুহিব, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন, সামছুর রহমান নুনু এবং বিভিন্ন ছাত্র ও যুব সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও বক্তৃতা দেন—কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য ও লন্ডন প্রবাসী এ জে লিমন,
কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা একে এম রিপন তালুকদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসিন হলের সাবেক আইন সম্পাদক, লন্ডন প্রবাসী তরুণ ব্যারিস্টার আব্দুল রকিব আহমদ, জমিয়তে ইসলামী নেতা আলী আহমদ।
বক্তারা বলেন, দীর্ঘসময় ধরে সরকারি অবহেলার কারণে ছাতক–দোয়ারাবাজারের সম্ভাবনাগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। নদী–নালা, খনিজ, শিল্প, কৃষি—সব ক্ষেত্রেই রয়েছে বিপুল সম্ভাবনা, কিন্তু সঠিক পরিকল্পনার অভাবে এগুলো আজও ব্যবহৃত হচ্ছে না। তাঁরা বিশ্বাস করেন, কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন নির্বাচিত হলে এ অঞ্চলের স্বপ্নগুলো বাস্তবায়িত হবে। মানুষের ভরসা—পরিবর্তনের পক্ষে ভোট সমাবেশে সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিবর্তন–উদ্দীপনা ও মিলনের প্রতি আস্থা স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়। অনেকে বলেন, বিএনপির এই প্রার্থী দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় উন্নয়ন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রেখেছেন।
এক প্রবীণ বক্তা বলেন ছেলেমেয়েদের শিক্ষা, এলাকার রাস্তা–ঘাট, হাসপাতাল—এসবের উন্নয়ন চাই। সেজন্য এবার নতুন কাউকে সুযোগ দিতে হবে। মিলনকে জয়ী করলেই ছাতকের ভাগ্য পরিবর্তন হবে।”
সমাবেশ শেষে বিশাল মিছিল সমাবেশ শেষে ধানের শীষের পক্ষে একটি শান্তিপূর্ণ মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও সাধারণ জনগণ অংশ নেন। মিছিলে ‘পরিবর্তন চাই’, ‘গণতন্ত্র চাই’, ‘ধানের শীষের জয় চাই’—এমন স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।
আগামী নির্বাচন ঘিরে বাড়ছে উত্তাপ ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সুনামগঞ্জ–৫ আসনটি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। বিএনপি প্রার্থী মিলন একদিকে আধুনিক উন্নয়ন–দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরছেন, অন্যদিকে আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য দলের প্রার্থীরাও ভোটারদের মন জয়ের জন্য প্রচারণা চালাচ্ছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নারীরা, তরুণ ভোটার এবং প্রথমবার ভোট দিতে আসা যুবকরাই হতে পারেন ফলাফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখার শক্তি। শেষবারের মতো ভোটারদের প্রতি আহ্বান।বক্তব্যের শেষদিকে কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন বলেন—ছাতক।দোয়ারাবাজারবাসীর স্বপ্ন বাস্তবায়নের দায়িত্ব নিতে আমি প্রস্তুত। আপনারা একটি ভোট দিয়ে এ অঞ্চলকে নতুন এক আধুনিক ভবিষ্যৎ উপহার দিতে পারেন। সবাইকে অনুরোধ করছি—১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষে ভোট দিন, গণতন্ত্রকে বাঁচান।”
বিষয়: #গনমিছিল #মিজান #মিলন #সমাবেশ










বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে একাত্তরের গণহত্যার স্বীকৃতি দাবি
রিটেনে এসাইলাম প্রার্থিদের দুঃসংবাদ বহু আবেদনকারীকে ফিরে যেতে হবে নিজ নিজ দেশে
দিরাইয়ে অভিনেত্রী সুজাতা আজিমকে সংবর্ধিত করলো বাংলাদেশ ফিমেইল একাডেমি
মুন্সিগঞ্জে ৬ কোটি টাকার অবৈধ চিংড়ি রেণু জব্দ করেছে কোস্টগার্ড
দৌলতপুরে ক্যান্সার ও কিডনি রোগীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের ১০ লক্ষ টাকার চেক বিতরণ
রাণীনগরে সার ব্যবসায়ীর ১০ হাজার টাকা জরিমানা
শোক সংবাদ-নারায়ন দে
ছাতকে গরু চুরির অভিযোগে দু’ঘরে হামলা-ভাঙচুর
খাটের নিচে তেলের খনি! 