শিরোনাম:
ঢাকা, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বজ্রকণ্ঠ "সময়ের সাহসী অনলাইন পত্রিকা", ঢাকা,নিউ ইয়র্ক,লন্ডন থেকে প্রকাশিত। লিখতে পারেন আপনিও। বজ্রকণ্ঠ:” সময়ের সাহসী অনলাইন পত্রিকা ” আপনাকে স্বাগতম। বজ্রকণ্ঠ:: জ্ঞানের ঘর:: সংবাদপত্র কে বলা হয় জ্ঞানের ঘর। প্রিয় পাঠক, আপনিও ” বজ্রকণ্ঠ ” অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ” বজ্রকণ্ঠ:” সময়ের সাহসী অনলাইন পত্রিকা ” কে জানাতে ই-মেইল করুন-ই-মেইল:: [email protected] - ধন্যবাদ, সৈয়দ আখতারুজ্জামান মিজান

Bojrokontho
সোমবার ● ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
প্রথম পাতা » বিশেষ » শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব এডভোকেট মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল এর ৭৪ তম জন্মদিন
প্রথম পাতা » বিশেষ » শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব এডভোকেট মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল এর ৭৪ তম জন্মদিন
৮৪ বার পঠিত
সোমবার ● ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব এডভোকেট মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল এর ৭৪ তম জন্মদিন

বজ্রকণ্ঠ ::

আজ  হবিগঞ্জের প্রবীণ সাংবাদিক, সংগঠক, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের কর্ণধার, শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব এডভোকেট মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল এর ৭৪ তম জন্মদিন।
জনাব মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল হবিগঞ্জের সাংবাদিকতায় পথিকৃৎদের একজন। সাড়ে পাঁচ দশক সময় ধরে যুক্ত আছেন সাংবাদিকতায়। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্ণধার। আজ ২৫ জানুয়ারি তিনি ৭৩ পূর্ণ করে ৭৪ - এ পড়লেন।

১১ বছর পূর্বে তাঁর ৬৩ তম জন্মদিনের আগে (২৩ জানুয়ারি ২০১৫)
পরিবেশ ও সংস্কৃতিকর্মী তোফাজ্জল সোহেল ও সিদ্দিকী হারুন জনাব মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল এঁর সঙ্গে তাঁর বাসায় আলাপচারিতায় মিলিত হন। সেটি উপস্থাপন করা হল।

সাংবাদিক : তেষট্টি বছর পূর্ণ করতে চলেছেন আপনি। মোটামুটি দীর্ঘ একটি সময় পার করলেন এ পৃথিবীতে। ফেলে আসা জীবনের প্রতি তাকালে কেমন অনুভূতি হয় আপনার?

মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবালঃ আমার আত্মতৃপ্তি অবশ্যই আছে। জীবনের শুরুর দিকে সবারই অনেক ধরনের স্বপ্ন থাকে। সেসব আমারও ছিল। আজ এ পর্যায়ে জীবনের সব স্বপ্ন না হলেও এর অনেকগুলোই পূরণ হয়েছে বলে মনে করি।

সাংবাদিক : সাংবাদিকতায় কীভাবে যুক্ত হলেন?
ইকবালঃ ১৯৬৮ সালে বন্ধু নোমান চৌধুরীর উৎসাহে সিলেট থেকে প্রকাশিত প্রাচীন সংবাদপত্র ‘যুগভেরী’ ও ‘সাপ্তাহিক ইস্টার্ণ হেরাল্ড’ এর হবিগঞ্জ মহকুমা প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেই। নোমান তখন ‘আজাদ’ এর মহকুমা প্রতিনিধি। যুগভেরীতে কাজ করার ধারাবাহিকতায় ’৬৯-এ ‘দৈনিক ইত্তেকাফ’-এ যোগ দেই। ওই বছরের ২০ সেপ্টেম্বর ইত্তেফাক থেকে একটা চিঠি পাই যে, আমাকে মহকুমা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এরপর ’৭০ সাল গেল, ’৭১-এ মুক্তিযুদ্ধের সময় সবাই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লাম।

সাংবাদিক : সাংবাদিকতায় সম্পৃক্ত হওয়ার কারণ কী ছিল?

ইকবাল: কিছু পাওয়ার আশায় নয় অবশ্যই। বরঞ্চ সমাজকে কিছু দেয়ার মানসিকতা থেকেই যুক্ত হয়েছিলাম।

সাংবাদিক: ওই সময়টিতে সাংবাদিকতায় আর কারা ছিলেন?
ইকবাল: ওই সময় নোমান চৌধুরী (আজাদ), চুনারুঘাটের মাসুদ চৌধুরী (পয়গাম), আব্দুল হাকিম চৌধুরী (অবজারভার), সাহাবউদ্দিন আহমদ (মর্নিং নিউজ) ও আব্দুল জব্বার (শায়েস-াগঞ্জ প্রতিনিধি অবজারর্ভার) ছিলেন আমার সিনিয়র সাংবাদিক।

সাংবাদিক: আমরা তো আপনাদেরকে পেয়েছি সাংবাদিকতায় বয়োজ্যেষ্ঠ হিসেবে। কিন’ আপনারা যখন শুরু করেছিলেন, সে সময় কি কাউকে পেয়েছিলেন সাংবাদিকতায় পূর্বসূরী বা সিনিয়র হিসেবে?

ইকবাল: পূর্বে উল্লিখিত ব্যক্তিগণ ছাড়াও হবিগঞ্জে আবু আব্দুল্লাহ মোঃ ইসমাইল ও অধ্যাপক বশীরুল হক ছিলেন। তারা পরিচালনা করতেন সরকারী মুখপত্র ‘অভিযাত্রিক’। এছাড়া বানিয়াচঙ্গে হাফেজ সিদ্দিক আহমদ সাহেবও আমার সিনিয়র।

সাংবাদিক: সে সময়, অর্থাৎ স্বাধীনতার আগে ও কয়েক বছর পরে নিউজ পাঠানোর প্রক্রিয়াটি কী রকম ছিল?

ইকবাল: সে সময় নিউজ পাঠানোর মূল মাধ্যম ছিল ডাকযোগে প্রেরিত চিঠি। দু’দিন লাগত ঢাকায় চিঠি পৌঁছাতে। তৃতীয় দিন হয়তো ছাপা হতো। ফলে মফস্বলের সব খবরই হতো বাসি নিউজ। পত্রিকা আসত ‘উল্কা’ ট্রেনে। সকালের পত্রিকা আসত বিকেলে। আর ট্রেন মিস করলে পরেরদিন পাওয়া যেত আগেরদিনের পত্রিকা। তখন ইত্তেফাকের সার্কুলেশন ছিল সর্বোচ্চ।

সোহেল ও হারুন: আমরা জানি হবিগঞ্জে প্রেসক্লাব গঠনে মূল ভূমিকাটি আপনারই। প্রেসক্লাব গঠনের সময়কার কথা কিছু বলুন।

ইকবাল: মূলত ’৭২ সাল থেকেই আমরা এখানে একটি প্রেসক্লাব গঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি, তবে সেটি অফিসিয়ালি গঠিত হয় ’৭৪ সালে। ’৭৪-এ আমি সভাপতি ও আমির হোসেনকে সেক্রেটারী করে প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন করি। কিন’ আমাদের কোনও নিজস্ব অফিস ছিল না। হবিগঞ্জের তৎকালীন এসডিও কাজী মোঃ আবুবকর সিদ্দিকীকে বিষয়টি জানালে তিনি আমাদেরকে একটি জায়গার সন্ধান দিতে বলেন। তখন তাকে আমরা বর্তমান জায়গাটার কথা জানাই। এই জায়গাটায় একটা গভীর খাল ছিল। এসডিও সাহেবই আমাদেরকে জায়গাটা পৌরসভার মাধ্যমে বন্দোবস- দেয়ার ব্যবস্থা করেন। তিনি ও তার সেকেন্ড অফিসার এসএম মোল্লা ঘর তৈরির জন্য ৫ বান্ডিল রিলিফের টিন ও কিছু খুঁটি দিলেন। পরে সিলেটের ডিসি ফয়জুল্লাহ সাহেবও কয়েক বান্ডিল টিন দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। ’৭৭ সালের ৭ মে আমরা তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে প্রেসক্লাবে আনি। হবিগঞ্জে একটা জনসভা উপলক্ষে তিনি এসেছিলেন সার্কিট হাউজে। আমি আর আমির হোসেন গিয়ে তাকে বললাম, আপনার সমাবেশস্থলের কাছেই আমাদের প্রেসক্লাব। একটু যদি আসেন। তিনি দাওয়াত রাখলেন। স্টেডিয়ামে জনসভা শেষে বের হওয়ার পর তাকে প্রেসক্লাবে নিয়ে আসলাম। প্রেসক্লাবে তার বক্তব্য সম্বলিত পোস্টারগুলো টানানো দেখে তিনি খুশি হলেন। তিনি প্রেসক্লাবে একটি টিভি সেট দেয়ার কথা ঘোষণা করলেন। সপ্তাহখানেক পর চিঠি এল, টিভিটা ঢাকা থেকে নিয়ে আসার জন্য। সেটা আনার জন্য সেক্রেটারী হিসেবে আমির হোসেনকে ঢাকায় পাঠালাম। সে যথেষ্ট কষ্ট করে টিভিটা আনতে পেরেছিল। তখন হবিগঞ্জ শহরে টিভি খুব একটা ছিল না। বাসা-বাড়ি থেকে মহিলা-পুরুষরা দল বেঁধে গিয়ে প্রেসক্লাবে গিয়ে টিভি দেখতেন। প্রেসক্লাবের শুরুতে শফিকুর রহমান চৌধুরী, আব্দুল মন্নাফ, আবু তাহের জ্যোতি, সৈয়দ মোস্তফা কামাল, হাফেজ সিদ্দিক আহমেদ, দেওয়ান গোলাম রব্বানী চৌধুরী কামাল, আব্দুর রাজ্জাক তালুকদার প্রমূখদের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা কমিটি (১৯৭৪-৭৭) এর তালিকা একটি বোর্ডে প্রেসক্লাবে সংরক্ষিত আছে। ওই বোর্ডে যাদের নাম আছে কমেবেশী সবার অবদানে প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়। এছাড়াও হবিগঞ্জে বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষের ঐকান্তিক সহযোগিতায় হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০০-২০০১ সালে তৃতীয়বারের মতো প্রেসক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করি। তখন অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া সাহেব প্রেসক্লাব ভবন নির্মাণের জন্য কিবরিয়া অডিটরিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে আমার হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন। এতে সহজেই বর্তমান প্রেসক্লাব ভবনের নিচতলা নির্মাণ করা সম্ভব হয়। এছাড়াও হবিগঞ্জের বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিবর্গ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সহায়তায় প্রেসক্লাবের উন্নয়ন কাজ এগিয়ে যায়।

সাংবাদিক: হবিগঞ্জের স্থানীয় সংবাদপত্রের উত্থানটাও আপনার চোখের সামনেই ঘটেছে। এ ব্যাপারে কিছু বলুন।

ইকবাল: হবিগঞ্জে পাঠক ও নতুন সাংবাদিক সৃষ্টিতে স্থানীয় পত্রিকাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সর্বপ্রথম ’৮২-তে ‘স্বাধিকার’ বের হল, এরপর দৃষ্টিকোণ, এরপর ‘স্বদেশ বার্তা’। এরপর তো আরও অনেক পত্রিকা বের হল। সোহেল ও হারুন: স্থানীয় প্রকাশনা শিল্পের বির্বতনটাও দেখেছেন…
ইকবাল: স্বাধীনতার পূর্বে বাণিজ্যিক এলাকায় ‘মিনার্ভা’ প্রেস ছিল, সিনেমা হল রোডে ছিল ‘আব্বাসিয়া প্রেস’, পুরাতন হাসপাতাল রোডে ছিল ‘রাশিদিয়া প্রেস’, সেটা বোধ হয় শেষ দিকে তোমরাও দেখেছো। একই সড়কে ‘ন্যাশনাল আর্ট প্রেস’, ‘পপুলার প্রেস’ ও ‘মধুসুধন প্রেস’। পুরাতন পৌরসভা সড়কে ছিল ‘ভগবতী প্রেস’, কালিবাড়ি সড়কে ছিল ‘আর্ট প্রেস’। তখন ছবির জন্য কাঠের ব্লক বানিয়ে আনতে হত ঢাকা থেকে। আর সিসার অক্ষর একটা একটা করে কম্পোজ করা হত। এজন্য শহরে ছিলেন অনেক দক্ষ কম্পোজিটর ও প্রুফ রিডার।

সাংবাদিক: সাংবাদিকতার একটা অপরিহার্য বিষয়- ছবি। সেটারও অনেক বিবর্তন ঘটে গেছে…

ইকবাল: তখন তো সাংবাদিকদের ক্যামেরা ছিল না। স্বাধীনতার পর বেবিস্ট্যান্ড-এ ‘কাজল স্টুডিও’র কাজল ঘোষ সাংবাদিকদের যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন। নিজের ব্যবসার দিকে লক্ষ্য না রেখে ক্যামেরা নিয়ে আমাদের সাথে ছুটেছেন। আমরা সাদাকালো ছবি পোস্ট অফিসের মাধ্যমে পাঠাতাম। রঙিন ছবি তো আসলো আশির দশকের দিকে।

সাংবাদিকঃ টিভি সাংবাদিকতাও তো করেছেন অনেক বছর…
ইকবাল: ১৯৮৬ সাল থেকে ২০০২ পর্যন- বিটিভি’র প্রতিনিধি ছিলাম। আবার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ থেকে ২০০৯-এর প্রথমার্ধ পর্যন্ত বিটিভি’র জেলা প্রতিনিধি ছিলাম। এছাড়া ইত্তেফাক গ্রুপের বিনোদন পত্রিকা ছিল ‘সাপ্তাহিক পূর্বাণী’। সেটার প্রতিনিধি হিসেবেও কাজ করেছি।

সাংবাদিক: এছাড়া আপনি তো শিশু সংগঠনও করেছেন, করেছেন বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনও।

ইকবালঃ ’৭৫ সালে হবিগঞ্জে ‘মৌচাক কচি-কাঁচার মেলা’ গঠন করি। ইত্তেফাকে বিভাগটি পরিচালনা করতেন দাদা ভাই (রোকনুজ্জামান খান)। সংগঠনটি করার জন্য সম্পাদকের নিকট থেকে আমার কাছে চিঠি আসে। ’৭৯ ও ’৮৩-তে হবিগঞ্জে কচি-কাঁচার সম্মেলন করি। ’৭৭-এ মুক্ত স্কাউটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হই। ’৮৬ সালে শিশু একাডেমীর সেক্রেটারী হই ও ’৯০ পর্যন- থাকি। স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বর্তমানে সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছি। এছাড়া বর্তমানে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন-বাপা ও রোভার স্কাউটের সহ-সভাপতির দায়িত্বে আছি।

সাংবাদিক: নতুন সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে কিছু বলুন। ইকবাল: একটা কথাই বলব, পেশাগত দায়িত্ব পালনে সততাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।
সাংবাদিক : ৬৩তম জন্মদিনের প্রাক্কালে আপনাকে শুভেচ্ছা।
ইকবাল: তোমাদেরকেও অনেক অনেক শুভেচ্ছা।



বিষয়: #  #  #  #  #  #  #  #  #  #  #  #  #  #  #  #  #


আর্কাইভ

--- --- --- --- সিলেট শহরের সকল হবিগঞ্জী --- --- --- --- --- --- --- --- --- --- --- --- --- --- --- --- --- --- --- --- ---

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চাই
ভূমি অপরাধ আইনের প্রকাশ্য লঙ্ঘন : সুনামগঞ্জে আবাদি জমির টপসয়েল লুটের মহোৎসব
রাণীনগরে রক্তদহ বিলের পাখি পল্লীতে নজরদারির জন্য ক্যামেরা স্থাপন
অপারেশন ডেভিল হান্টে ভোলায় কোস্টগার্ড ও পুলিশের অভিযানে আটক ১
আজ নির্বাচনী প্রচারনায় ইসলামী ফ্রন্টের মহাচিব অধক্ষ্য স.উ.ম.আব্দুস সামাদ হবিগঞ্জে আসছেন
দেশ ও গণতন্ত্রের উন্নয়নে ধানের শীষের বিকল্প নেই-রেজাউল ইসলাম
ভোট সুষ্ঠু হলে জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে না
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে সেনাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র গুলাবারুদ সহ যুবক আটক।।
রাণীনগরে ডিবি পরিচয়ে গাড়ী ছিনতাই
জামায়াত স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল: মির্জা ফখরুল