বৃহস্পতিবার ● ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪
প্রথম পাতা » প্রধান সংবাদ » দৌলতপুরে পদ্মার নদীতে পানি বৃদ্ধি হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দী
দৌলতপুরে পদ্মার নদীতে পানি বৃদ্ধি হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দী
খন্দকার জালাল উদ্দীন:

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মার পানি বৃদ্ধির ফলে ডুবেছে আবাদি ফসল। চিলমারীর চরের বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শ্রেণি কক্ষের পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
নিম্নচাপের প্রভাবে ভারী বৃষ্টি এবং ভারতের উজান থেকে নেমে আসা বৃষ্টির পানিতে ফুলে ফেঁপে উঠেছে পদ্মার পানি। এরফলে নদী তীরবর্তী নিম্নঞ্চলে পানি ঢুকে পড়ায় দৌলতপুর উপজেলার চার ইউনিয়নের পদ্মার চরের অন্তত ৩৪টি গ্রামের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। ভাঙন ও বন্যার আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন তারা। পদ্মায় পানি বৃদ্ধির ফলে চিলমারী ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। তলিয়েছে যাতায়াতের রাস্তা। ডুবেছে মরিচা, ফিলিপনগর, রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারী এলাকার চরের মাসকলাইসহ আবাদি জমি ও ফসল। এর আগে আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে নদীতে পানি বাড়লেও শেষের দিকে তা কমতে শুরু করে। তবে ফের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে পদ্মা নদীতে পানি বাড়তে শুরু করেছে। এদিকে চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, আমার ইউনিয়নের প্রায় ১৮টি গ্রামের আশপাশে পানি চলে এসেছে। চলাচলের রাস্তার ওপরে পানি উঠেছে। তবে এখনো বসতঘরে পানি প্রবেশ করেনি। তবে চরের আবাদি জমি ডুবে গেছে। রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজ মন্ডল জানান, রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ১৬টি গ্রামের চারপাশে পানি চলে এসেছে। তাঁর ইউনিয়নের পদ্মার চরের প্রায় সব আবাদি জমি তলিয়ে গেছে। এতে মাসকালাই চাষিরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চরে পানিবন্দী হয়ে পড়া প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রমের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চরের কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি হলে তা পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো এখনো স্বাভাবিক রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন। চরে তলিয়ে যাওয়া ফসলি জমি ও কৃষিজমির ক্ষতির পরিমাণও আগের তুলনায় বেড়েছে অনেকগুণ। পানিতে তলিয়ে যাওয়া ফসলি জমির বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার মোঃ নুরুল ইসলাম বলেন, পদ্মায় পানি বাড়ার কারণে এখন পর্যন্ত চার ইউনিয়নের অন্তত ১০০ হেক্টর জমির মাসকালাই ডুবে যাওয়ার খবর পেয়েছি। এবার চরে ২ হাজার ৩২৩ হেক্টর জমিতে মাসকালাইয়ের চাষ হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ওবায়দুল্লাহ বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি আছে। আমরা পানিবন্দী হয়ে পড়া এলাকাগুলোর খোঁজ খবর রাখছি। এদিকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তাবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল হান্নান জানান দৌলতপুরে বন্যার ব্যাপারে আমরা সার্বক্ষনিকভাবে খোঁজখবর রাখছি।বন্যা দুর্গতদের সহযোগিতার চেস্টা চালিচ্ছি।
বিষয়: #দৌলতপুর #পানিবন্দী










সেনা সদস্য’র বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচারসহ একের পর এক বিয়ে ভাঙার ভয়াবহ অভিযোগ
কোস্টগার্ডের পৃথক অভিযানে অস্ত্রসহ ১০ ডাকাত আটক, জ্বালানি তেল জব্দ
সুনামগঞ্জে ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণের নামে দুর্নীতি : ডিসি ইলিয়াসসহ দুর্নীতিবাজদের বিচার দাবী
বিএনপি দেশ ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে: জামায়াত
লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার আকবর হোসেনের পদত্যাগ
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা
শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে পাকিস্তানে মার্কিন প্রতিনিধিদল
ভারত থেকে এলো আরও ৮ হাজার টন ডিজেল
রাণীনগরে পুকুর খননকালে মিলল মরিচাধরা থ্রি-নট-থ্রি বন্দুকের অংশ উদ্ধার
সুনামগঞ্জে বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে ১৪৪ জারি করলো এডিএম কোর্ট 