বৃহস্পতিবার ● ৫ মার্চ ২০২৬
প্রথম পাতা » তথ্য-প্রযুক্তি » বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ডিজিটাল উদ্ভাবন ত্বরান্বিত করতে অর্থায়ন করবে ভিওন ও জিএসএমএ ইনোভেশন ফান্ড
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ডিজিটাল উদ্ভাবন ত্বরান্বিত করতে অর্থায়ন করবে ভিওন ও জিএসএমএ ইনোভেশন ফান্ড
সৈয়দ মিজান::
![]()
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বিভিন্ন উদ্ভাবনী ডিজিটাল প্রকল্পে সহায়তা দিচ্ছে মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈশ্বিক সংগঠন গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশনস অ্যাসোসিয়েশন (জিএসএমএ)–এর ইনোভেশন ফান্ড। এসব প্রকল্পে যৌথভাবে অর্থায়নের লক্ষ্যে সংগঠনটির মোবাইল ফর ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেছে বৈশ্বিক ডিজিটাল অপারেটর ভিওন লিমিটেড (নাসডাক: ভিওন)।
স্পেনের বার্সেলোনায় চলমান টেলিযোগাযোগ খাতের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক আয়োজন মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস (এমডব্লিউসি)– এর ২০২৬ আসরে এ–সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জিএসএমএ’র চিফ রেগুলেটরি অফিসার ও জিএসএমএ ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট জন জিউস্তি, জ্যাজের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) আমির ইব্রাহিম এবং বাংলালিংকের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) ইয়োহান বুসে।
চুক্তি অনুযায়ী, জ্যাজ ও বাংলালিংক ২০২৬ সালের অর্থায়ন পর্বে নির্বাচিত পাকিস্তানি ও বাংলাদেশি স্টার্টআপগুলোকে যৌথভাবে অর্থায়ন করবে। আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি ইকোসিস্টেম উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও সহায়তা দেবে ভিওন এবং এর আওতাধীন কোম্পানিগুলো। এর ফলে নির্বাচিত উদ্যোগগুলো আরও দ্রুততার সঙ্গে নিজেদের পরিসর বাড়ানোর সুযোগ পাবে।
এ প্রসঙ্গে জন জিউস্তি বলেন, “ভিওন গ্রুপের আওতাধীন জ্যাজ ও বাংলালিংক—দুটি প্রতিষ্ঠানই পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ডিজিটাল খাতের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সামাজিকভাবে প্রভাব রাখতে সক্ষম এমন উদ্যোগগুলোকে সহায়তার ক্ষেত্রে জিএসএমএ ইনোভেশন ফান্ডের কার্যক্রম এ অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আরও গতি পাবে।”
বাংলালিংকের সিইও ইয়োহান বুসে বলেন, “সবার জন্য ডিজিটাল সেবা আরও সহজলভ্য করা এবং আমাদের গ্রাহক, অংশীদার ও পুরো ইকোসিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত সবার সমৃদ্ধ জীবন গড়তে সহায়তা করাই বাংলালিংকের লক্ষ্য। জিএসএমএ ইনোভেশন ফান্ডের সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমাদের সহায়তা করবে। বিশেষ করে এমন সময়ে, যখন বাংলাদেশ নতুন করে প্রবৃদ্ধির ভিত গড়ে তুলছে। আগামী দিনেও আমরা আমাদের ভূমিকার মাধ্যমে দেশের প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখতে চাই।”
জিএসএমএ ইনোভেশন ফান্ড উন্নয়নশীল দেশগুলোর আর্থসামাজিক ও পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজ করা স্টার্টআপগুলোকে চিহ্নিত করে সহায়তা দেয়। প্রতিটি অর্থায়ন পর্ব প্রকাশ্যে ঘোষণা করার পরে একটি স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিইয়ার মাধ্যমে প্রকল্পগুলোকে বাছাই করা হয়। কঠোর মূল্যায়নের পর চূড়ান্তভাবে প্রকল্প নির্বাচন করে জিএসএমএ মোবাইল ফর ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন। চলমান ও আগের অর্থায়ন পর্বে সহায়তা পাওয়া প্রকল্প ও অন্যান্য কার্যক্রম সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য জিএসএমএ’র ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
বিষয়: #ডিজিটাল #পাকিস্তান #বাংলাদেশ










হজযাত্রীদের জন্য প্রথম ফাইভ-জি রোমিং আনল বাংলালিংক
The Everyday Essential: How Infinix Note 60 Series Powers Study, Work, and Life on the Move
পড়াশোনা থেকে ক্যারিয়ার: সারাদিনের সঙ্গী যখন ইনফিনিক্স নোট ৬০ সিরিজ
ভিভো ভি৭০ এফই: ০% ইএমআই সুবিধায় এআই ল্যান্ডস্কেপের যাদু
নারীদের ডিজিটাল ও আর্থিক ক্ষমতায়নে রমণীর সাথে বাংলালিংকের অংশীদারিত্ব
বৈশাখ উদযাপনে বাংলাদেশের বাজারে অনারের নতুন স্মার্টফোন ‘এক্স৮ডি’
রবি এলিট গ্রাহকদের জন্য সহজে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যসেবায় দেবার লক্ষে চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনাল-এর সাথে রবির চুক্তি স্বাক্ষর
বাংলা নববর্ষে বিশেষ চমক হিসেবে উন্মোচিত হলো অপো এ৬-এর নতুন ৮ জিবি + ২৫৬ জিবি ভ্যারিয়েন্ট
ভিভোর ‘ওয়ান-ডে শপ ম্যানেজার’ হিসেবে আসছেন তাহসান
দুই দশক ধরে বিশ্বের এক নম্বর টিভি ব্র্যান্ড হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে স্যামস্যাং 