বৃহস্পতিবার ● ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
প্রথম পাতা » বিশেষ » ‘বাংলাদেশ রাহুমুক্ত হউক’ প্রত্যয়ে কবিকণ্ঠ-এর বই উৎসব অনুষ্ঠিত
‘বাংলাদেশ রাহুমুক্ত হউক’ প্রত্যয়ে কবিকণ্ঠ-এর বই উৎসব অনুষ্ঠিত
।।বিশেষ প্রতিবেদন।।
![]()
লন্ডন ১৭ ফেব্রুয়ারিঃ ‘বাংলাদেশ রাহুমুক্ত হউক’ প্রত্যয়ে কবিকণ্ঠ-এর বই উৎসবে নিজের বই নিয়ে লেখকদের আলোচনা সম্প্রতি লন্ডনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৬ ফেব্রুয়ারি ভাষার মাসে ভাষাশহীদদের সম্মান জানিয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিলাতের কবি,লেখক, সাহিত্য ও ইতিহাস গবেষকবৃন্দ। সাহিত্য চর্চার প্লাটফরম ‘কবিকণ্ঠ’র কর্ণধার কবি হামিদ মোহাম্মদের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠান শুরু হয় সন্ধ্যা ৬টায়। পূর্ব লন্ডনের জুবিলি স্ট্রিটে অবস্থিত সাপ্তাহিক পত্রিকা অফিসে অনুষ্ঠিত এ আয়োজন ছিল ব্যতিক্রম। লেখক নিজের লেখালেখি সম্পর্কে বলেন, সপ্রতিভ উত্তর দেন শ্রোতার প্রশ্নের। লেখকের নির্মাণ কৌশলের ব্যবচ্ছেদ ছিল শ্রোতা আর লেখক মুখোমুখি এক অনবদ্য মুহূর্ত। অনুষ্ঠানস্থলে যিনি আগে এসেছেন তিনি আগে বলার সুযোগ পান। উপস্থিত হওয়ার এমন এক প্রতিযোগিতার আবহ তৈরী করেন উপস্থাপক। অলিখিতভাবে লেখক ও কবিদের লাইনে দাঁড় করিয়ে দেন,সকলেই বুঝতে পারেন কে কখন বলবেন।
প্রথমে আগে আসার ভিত্তিতে কথা বলেন কবি ও ছাড়াকার সৈয়দ হিলাল সাইফ। তিনি তার লেখালেখির পেছনের ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, তার গ্রাম সৈয়দপুরে একটি পাঠগার ছিল, সেটিই তাদের সাহিত্য পাঠের সুতিকাগার হয়ে ওঠে। পাঠাগার থেকে বই নিয়ে পড়া, লেখার অভ্যাস তৈরী, তারপর গল্প এবং ছড়ার জগতে প্রবেশ। তিনি বলেন, আমার জীবনের আদর্শ মহান ব্যক্তি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। তাকেই নিয়ে ‘শেখ মুজিবের দেখা পাই’গ্রন্থটি দেখিয়ে বলেন, শেখ মুজিবের ব্যাপারে কোনো আপস নেই। ‘খুকুমনির বিড়াল ছানা’ গ্রন্থ থেকে একটি ছড়া পড়ে শোনান তিনি। এই গ্রন্থটি প্রকাশনা সংস্থার অন্যতম সেরা বইর মর্যাদালাভ ও পুরস্কার পাওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
এরপর কথা বলেন লেখক গবেষক মতিয়ার চৌধুরী। মতিয়ার তার জীবনের শ্রেষ্ঠ বই ‘নবীগঞ্জের ইতিকথা’ লেখার পেছনের ইতিহাস বর্ণনা করে বলেন, প্রথমে এই বইটি প্রায় চল্লিশ বছর আগে বেরিয়েছিল। পরে নবীগঞ্জের মানুষের তাগিদে এর পরিসর বেড়ে যায়।বর্তমানে এটি প্রায় চারশ পৃষ্ঠার একটি দলিল। অনেক মিথ কাহিনির সমন্বয়,খণ্ডন আর সত্য তথ্য তুলে আনতে দীর্ঘ দিন পরিশ্রম করে বইটি লিখেছেন তিনি। বই থেকে কিছু কিছু ঘটনা, তথ্য অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন মতিয়ার চৌধুরী।
উপস্থিতির ধারাবাহিকতায় তারপর কথা বলেন,কবি ও ছড়াকার দিলু নাসের। তিনি সিলেটের সাপ্তাহিক যুগভেরী পত্রিকার শাপলার মেলার লেখাপাঠের আসরে শ্রোতা হিসেবে উপস্থিত হওয়া,লেখালেখিতে উদ্ভুদ্ধ হওয়া এবং ছড়া ও গল্প লেখার হাতে খড়ির পূর্বাপর বৃত্তান্ত তুলে ধরেন।দিলু নাসের বলেন, জন্ম সুনামগঞ্জে, বেড়ে ওঠা সিলেটের আম্বরখানা বড় বাজার নামক পাড়ায়,যেখানে গলির মুখেই যুগভেরী অফিস। এছাড়া তিনি শহর ছেড়ে নিজ গ্রামে চলে যান মাদ্রাসায় ভর্তি হয়ে। কিন্তু শহরের ছেলে গ্রাম ঠিকতে পারেননি,সময় পেলেই ছুটে আসতেন সিলেটে। তবে নিজ গ্রাম সৈয়দপুরের বইয়ের পাঠাগার তাকে প্রভাবিত করে। মাদ্রাসা ছেড়ে চলে আসেন সিলেট শহরে। ভর্তি হন স্কুলে। বদলে যায় লেখাপড়ার ধরণ। তিনি বলেন, তার বড়ভাই মিলু কাশেম ছিলেন লেখালেখির জগতে। বাসায় আসতো ‘ধানশালিকের দেশ’,বিচিত্রাসহ নানা সাহিত্য সাময়িকী। সেই সুবাধে সব ভাইবোন বই পাঠের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন। করতেন কচিকাঁচার মেলা।সিলেটে এলে বাসায় আসতেন রুকনুজ্জামান খান (দাদাভাই),রফিকুল হক (দাদুভাই), ছড়া লিখিয়েদের মধ্যেও ঢাকা থেকে যারাই সিলেট আসতেন,সকলেই আসতেন তাদের বাসায়। দিলু নাসের বলেন, কবি দিলওয়ারের ছায়াতলে আমরা লেখালেখির জগতে বেড়ে ওঠেছি। দিলু নাসের তার জীবনের প্রথম লেখা ছড়া ১৯৮১ সালে যুগভেরীতে প্রকাশ হয়। সেই প্রথম ছড়াসহ বেশ কয়েকটি ছড়া আবৃত্তি করে শোনান। দিলু নাসের অসাধারণ একটি গুণ, তার স্মৃতি এতো প্রখর, তার লেখা অনেক কবিতা ও ছড়া মুখস্থ।এছাড়া বাংলা সাহিত্যের অমর অনেক ছড়া তার ঠোঁটস্থ। কবি দিলু নাসেরের কথায় সিলেটের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশেষত ‘শিকড়’ সংগঠনের ইতিহাস সৃষ্টিকারি সাংস্কৃতিক আন্দোলন উঠে আসে। অনেক অজানা কথা শ্রোতারা শুনে মুগ্ধ হন।
এরপর অসাধারণ কিছু তথ্যবহুল কথা বলেন কবি ফয়জুর রহমান ফয়েজ। তিনি ছিলেন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। কিন্তু বড়ভাইয়ে সুবাদে সাহিত্য পাঠের সুযোগ পান। কবি ময়নূর রহমান বাবুল ছিলেন বড়ভাইয়ের বন্ধু। তিনি তার বড়ভাইকে সাপ্তাহিক একতা’সহ বিভিন্ন ম্যাগাজিন নিয়মিত পড়তে দিতেন। সেই একতা পড়েই তার সাহিত্য জগতে প্রবেশ। এরপর মাদাসার পাঠ চুকিয়ে স্কুলে ভর্তি হন।এবং নিয়মিত লেখালেখি শুরু হয় তখন থেকেই। তার কবিতার বই থেকে কবিতা পড়ে শোনান।
কবি ময়নূর রহমান বাবুল সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বলেন, আমি সাংস্কৃতিক ও রাজনীতি জগতের মানুষ। রাজনীতি করতে গিয়ে মনে হলো, শ্রমজীবী মানুষের কথা বলতে হলে লিখতে হবে। এই থেকে লেখালেখির জগতে প্রবেশ কী লিখেছি সেটার বিচার পাঠকের। ছড়া কবিতা গল্প নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তার অতৃপ্তির কথাই তুলে ধরেন বাবুল।
কবি ও গবেষক মুহাম্মদ ইকবাল আলোচনা করেন তার সদ্য প্রকাশিত একটি গবেষণা গ্রন্থ নিয়ে। বইটি ইংরেজি ভাষায়।গবেষণার বিষয় ঢাকা শহরের পরিবেশ বিপর্যয় নিয়ে লেখা। এটি একটি গবেষণা গ্রন্থ। গ্রন্থটি লেখার পূর্বাপর বিষয় তুলে ধরে তিনি বলেন, এ গ্রন্থ পড়ে যে কেউ একটি ধারণা নিতে পারবে, কিভাবে পরিবেশ বিপর্যয় থেকে উদ্ধার পাওয়া যাবে।
কবি ও গবেষক আলমগীর শাহরিয়ার বার্মিংহাম শহরে বাস করেন। তিনি ছুটে এসেছেন এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্যে। আলোচনায় যোগ দিয়ে তিনি কথা বলেন তার ‘রবীন্দ্রনাথ,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও্ উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িকতা’ তার লেখা গ্রন্থ নিয়ে। বইটি লেখার প্রাক-উদ্যোগের বর্ণনাসহ বইটি লেখার প্রেরণার কথা বলতে গিয়ে বলেন, কবি রবীন্দ্রনাথকে বাংলাদেশের একটি গোষ্ঠী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা বিরোধী চিহ্নিত করে বর্তমানে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এই গোষ্ঠী জামায়াত পরিচালিত ‘দৈনিক সংগ্রাম’ পত্রিকার। এর আগে কেউ কোনো দিন এমন কথা বলেনি বা শোনা যায়নি। এ থেকেই তিনি অনুপ্রাণিত হন একটি গবেষণার। বহু তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করেও তিনি কোথাও পাননি এর সত্যতা। সংগৃহিত এসব তথ্য নিয়ে এই বইটি লেখা হয়েছে। গ্রন্থভুক্ত একই ধারার সাম্প্রদায়িকতা বিষয়ক কয়েকটি নিবন্ধের শিরোনাম পড়ে তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ জমিদার হিসেবেও কেমন লোক ছিলেন, কিংবা তিনি মুসলমান বিরোধী ছিলেন কিনা, তা নিয়ে তিনি গবেষণা করেছেন। এসব আলোচনা এই গ্রন্থে রয়েছে। সবশেষে আলমগীর শাহরিয়ার তার কবিতার বই ‘নগ্ন পায়ে হেঁটে যায় বাংলাদেশ’ গ্রন্থ থেকে একটি প্রত্যয়ধর্মী কবিতা পড়ে শোনান।
আলোচনায় অংশ নেন কবি মাহফুজা রহমান। তার লেখালেখির জগত নিয়ে বলতে গিয়ে বলেন, আমি ছোটবেলা থেকে সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে বড় হয়েছি। আমার বাবার বন্ধু ছিলেন কথাশিল্পী শওকত ওসমান।তিনি আমাদের প্রতিবেশী। নিয়মিত আসতেন। বাসায সাহিত্য আড্ডা হতো।আমি ছিলাম সেই কনিষ্ঠ সদস্য। সাহিত্য নিয়ে নানা গল্পের মধ্যে আমার মানস গড়ে ওঠে। তিনি বলেন, আমি উদীচীতে সত্যেন সেনের কোলে বসে আবৃত্তি করেছি শিশুকালে।কবিতা আমার মর্মে এ্ভাবেই স্থান করে নিয়েছে। এরপর বড় হয়ে নিয়মিত গান ও কবিতা লিখতাম। রেডিও এবং টেলিভিশনের অনুমোদিত গীতিকার হয়েছি। কিন্তু দেখা যায় আমার লেখা গান অন্যের নামে বাজানো হচ্ছে। প্রতিবাদ করে সংশোধন করিয়েছি। গান চুরি হয়ে যাওয়ার এসব ঘটনা থেকে সম্প্রতি গানের বই এবং পরে একটি কবিতার বই বের করেছি।যাতে প্রামাণ্য বা দালিলিক প্রমাণ থাকে।
সবশেষে আলোচনায় যুক্ত হন ইতিহাস গবেষক বাংলা একাডেমী প্রবাসী পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক ফারুক আহমদ। ফারুক আহমদ বলেন,আমি সাধারণত ইতিহাস নিয়ে লেখালেখি করি।যুবক বয়সে গান লিখে রেডিওর তালিকাভুক্ত গীতিকার হয়েছিলাম। কিন্তু বিলাতে এসে আমার আগ্রহের জায়গা হয়েছে ইতিহাস। বাঙালির বিলাত আগমণ,বিলাতে বাঙালির রাজনীতি, বিলাতে বাঙালির বাংলা সাংবাদিকতা এসব আমার ভাবনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।প্রতিটি বিষয় নিয়ে নানা গবেষণামূলক বই লিখেছি। এরপর আমার কৌতুহল জাগে সিলেটের ইতিহাস সম্পর্কে কিছু লেখার। আমি অচ্যুতচরণ চৌধুরী, আশরাফ হোসেন চৌধুরী, সৈয়দ মর্তজা আলীসহ অনেকের লেখা ইতিহাস গ্রন্থসহ সাম্প্রতিক প্রকাশিত ‘বৃহত্তর সিলেটের ইতিহাস’দুই খণ্ড পড়ে মনে হলো কোথায় যেন অপূর্ণতা রয়ে গেছে। তাই তিন খণ্ডে ব্রিটিশ আমল,পাকিস্তান আমল এবং বাংলাদেশ আমল লেখায় হাত দিয়েছি।সম্প্রতি ’সিলেটের ইতিহাস- ব্রিটিশ আমল’ প্রকাশিত হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ব্রিটিশ লাইব্রেরীতে ব্রিটিশ আমলের অনেক তথ্য সমৃদ্ধ নথি দলিল দস্তাবেজ রয়েছে,আমি সে তথ্যভাণ্ডারের সাহায্য নিয়েছি। এছাড়া সিলেট ও আসামের কালক্টরেট অফিসে সংরক্ষিত অনেক দলিলের সাহায্য নিয়েছি। আগে যেগুলো আনুমানিক বা মিথ হিসাবে আমরা ইতিহাস পেয়েছি, তার স্থলে প্রকৃত ইতিহাস তুলে এনে এ বইটি লিখেছি। প্রায় ৫শ পাতার বইটি প্রকাশ করেছে ইউপিএল, ঢাকা।এ বিষয়ে কিছু উদারণ তুলে ধরে ফারুক আহমদ ইতিহাস ভিত্তিক তথ্য নিয়ে কৌতুহলোদ্দীপক ইঙ্গিপূর্ণ নানা কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রশ্নোত্তর পর্ব ছাড়াও বিদগ্ধজনের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতিসেবী এমদাদ তালুকদার, সংস্কৃতিজন সাঈদা চৌধুরী, নোমান আহমদ, ড.আনসার আহমদউল্লাহ এবং এরশাদ হোসেন। ব্যতিক্রমী এবং ভিন্নধারার সাহিত্য আলোচনায় সমৃদ্ধ হয়েছেন বলে এমন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে তারা বলেন, এরকম অনুষ্ঠান নিয়ামিত প্রয়োজন। লেখক নিজের লেখা বই নিয়ে সাহিত্য আলোচনার এমন নতুন ধারা সৃষ্টি করার জন্য কবিকণ্ঠকে ধন্যবাদ জানান।অনুষ্ঠানে কবি এ কে এম আবদুল্লাহও উপস্থিত ছিলেন। সব শেষে বাংলাদেশ রাহুমুক্ত হউক এই প্রত্যয় ব্যক্ত করে কবি হামিদ মোহামদ অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
বিষয়: #অনুষ্ঠিত #উৎসব #কবিকণ্ঠ #প্রত্যয় #বই #বাংলাদেশ #রাহুমুক্ত #হউক




আন্দ্রে বেতেই: মানবিক সমাজবোধের অনন্য উত্তরাধিকারী
ন্যায়বিচার, আইনের শাসন ও নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের প্রত্যাশা
তারেক রহমানকে নিয়ে গান গাইলেন আল হেলাল : অনুষ্ঠিত হলো কবি-সাহিত্যিক সংবর্ধনা
বগুড়া-৬ ছেড়ে ঢাকা-১৭ আসনের এমপি হচ্ছেন তারেক রহমান
সাকিবের দেশে ফেরার গুঞ্জন নিয়ে যা জানা গেল
বিচিত্র নিউফিচার! নির্বাচনে পাশে ছিলো না-এমপি নির্বাচিত হওয়ার পরই স্বার্থবাজদের ভিড়, সতর্ক থাকার দাবি
দেশের মসজিদে মসজিদে বিএনপির দোয়া কর্মসূচি পালন
জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ কে হবেন দেশের কান্ডারী ?
ভোটার স্লিপে প্রার্থীর নাম ও প্রতীক নিয়ে নতুন নির্দেশনা
