শনিবার ● ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
প্রথম পাতা » প্রধান সংবাদ » ঝিলকি সহ সাথের ৩ ডাকাত মারা গেলেও থামেনি চুরি-ডাকাতি!
ঝিলকি সহ সাথের ৩ ডাকাত মারা গেলেও থামেনি চুরি-ডাকাতি!
“হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে কুখ্যাত ডাকাত জুসেদ জনতার হাতে আবারও ধরাশায়ী।।
গণধোলাই দিয়ে থানায় সোপর্দ।।”
আকিকুর রহমান রুমন::
![]()
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে ক্রসফায়ারে নিহত হওয়া(ঝিলকি) ডাকাত সহ সাথের ৩ ডাকাত মারা যাওয়ার পরও থেমে থাকেনি ডাকাত জুসেদের চুরি,ছিনতাই, ডাকাতি সহ নানান অপরাধ মূলক কর্মকান্ড।
দিন,দিন এলাকা সহ বিভিন্ন এলাকায় চুরি,ছিনতাই, ডাকাতির মতো ঘটনা ঘটিয়ে অতিষ্ঠ করে তুলেছে পুরো মহল্লার এলাকাবাসী সহ উপজেলাবাসীকে।
মাঝে মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জনতার হাতে ধরাশায়ী হয়ে কিছুদিন কারাভোগ করে জামিনে বেরিয়ে আসে।
বাহিরে এসেই শুরু হয় পুনঃরায় চুরি,ছিনতাই, ডাকাতি সহ নানান অপরাধ মূলক কর্মকান্ড।
এরই ধারাবাহিকতায় উপজেলা সদরের ৩নং দক্ষিণ পূর্ব ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের পুরান ভাগ মহল্লায় শনিবার(৩১ জানুয়ারি)গভীর রাতে এক বাড়িতে ডাকাতি করতে গিয়ে সকাল বেলা জনতার হাতে ধরাশায়ী হয় কুখ্যাত ডাকাত জুসেদ।
এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানাযায়,ধরাশায়ী হওয়া ডাকাত বানিয়াচংয়ের ৪নং দক্ষিণ পশ্চিম ইউনিয়নের মাদারীটুলা মহল্লার ক্রসফায়ারে নিহত হওয়া সাইফুল ইসলাম(৩৫)ওরফে (ঝিলকি)ডাকাতের সহযোগী মৃত সনজই উল্বার পুত্র কুখ্যাত চিহ্নিত জুসেদ (৩০)মিয়া।
তারা বলেন,মহল্লার ভিতরে জনৈক ফাতেমা বেগম নামের এক গৃহকর্মীর বাড়িতে ডাকাতি করতে গিয়ে হানা দেওয়ার সময় বাড়ির লোকজন আচ করতে পেরে শোর চিৎকার দিলে ডাকাত জুসেদ সহ সহযোগীরা পালিয়ে যায়।
এ সময় বাড়ির লোকজন ও এলাকাবাসী পালিয়ে যাওয়ার সময় ডাকাত জুসেদকে চিনে ফেলেন।
ডাকাত জুসেদ ও সাথের সহযোগীগন যার,যার মতো করে পালিয়ে আত্নগোপন করে লুকিয়ে বাঁচার চেষ্টা করে।
কিন্তু এলাকাবাসী ও মহল্লার লোকজন চারদিকে ডাকাত জুসেদ সহ সহযোগীদের আটক করতে হন্ন হয়ে খুঁজাখুঁজি শুরু করেন।
এক পর্যায়ে মহল্লার ভিতরেই লুকিয়ে থাকা ডাকাত জুসেদকে আটক করতে সক্ষম হন এলাকাবাসী।
পরে তাকে রশি দিয়ে বেঁধে নিয়ে আসেন মহল্লার ভিতরে এবং এসময় উত্তেজিত জনতা ডাকাতকে গণধোলাই দেন।
এলাকাবাসী আরও জানান, ডাকাত জুসেদ ক্রসফায়ারে নিহত হওয়া(ঝিলকি) ডাকাতের সহযোগী হিসাবে দীর্ঘদিন ধরে চুরি,ছিনতাই,
ডাকাতি সহ বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ড শুরু করে।
এর পর থেকে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে ক্রসফায়ারে কুখ্যাত ডাকাত (ঝিলকি) নিহত হয়।
এবং একে একে ডাকাত জুসেদের আরও ২ সহযোগী কুখ্যাত ডাকাত ১নং উত্তর পূর্ব ইউনিয়নের নন্দীপাড়া মহল্লার বাসিন্দা ও ৩নং দক্ষিণ পূর্ব ইউনিয়নের পুরান ভাগ মহল্লার বাসিন্দা সহ ৩ ডাকাত মারা যায়।
কিন্তু সাথের ৩ ডাকাত মারা যাওয়ার পরও থেমে থাকেনি ডাকাত জুসেদের চুরি,ছিনতাই ও ডাকাতি সহ অপরাধ মূলক কর্মকান্ড।
এলাকায় নতুন,নতুন চোর,ডাকাত,ছিনতাইকারী,মাদক সেবনকারী তৈরী করে এসব চোর,ডাকাতি,
ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা ঘটিয়ে আসছিলো।
এছাড়াও জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে চিহ্নিত অপরাধীদের এনে বানিয়াচং উপজেলায় চুরি,ডাকাতি ঘটাচ্ছে।
এবং বাহুবল উপজেলার বানিয়াচং উপজেলা সদরের ৪নং দক্ষিণ পশ্চিম ইউনিয়নের যাত্রাপাশা মহল্লার(দামান) মাদক(ইয়াবা) সম্রাট ও বাহুবল উপজেলার গত কয়েক মাস গত হয় চিহ্নিত এক ডাকাত হত্যা মামলার আসামীকে নিয়ে পুরো উপজেলায় মাদক ব্যবসা সহ চুরি,ছিনতাই, ডাকাতি সহ অপরাধ মূলক কর্মকান্ড চালিয়ে আসছিলো বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী কুখ্যাত ডাকাত পিচ্চি জুসেদ এর বিরুদ্ধে।
ডাকাত জুসেদের বিরুদ্ধে বানিয়াচং থানায় মাদক,চুরি,ছিনতাই ও ডাকাতি সহ বেশকিছু মামলা রয়েছে।
গত ৫ আগষ্ট ২০২৪ইং এর পরে আর-ও বেপরোয়া হয়ে পড়ে কুখ্যাত জুসেদ ডাকাত।
এলাকা সহ উপজেলা সদরের কোথাও না কোথাও প্রতিনিয়ত চুরি, ছিনতাই,ডাকাতির মতো ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ।
কিছু দিন গত হয় সাগরদিঘীর পূর্ব পাড় থেকে একটি মিশুক গাড়ি চুরির ঘটনায় ও ধরাশায়ী হয়ে কারাভোগ করে আসে।
এর পরপরই সেনাবাহিনীর হাতে পুনঃরায় আটক হয় এই কুখ্যাত ডাকাত জুসেদ।
তারপর থানা পুলিশে সোপর্দ করা হলে পুলিশ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে।
কিছুদিন কারাভোগ করে জামিনে বেরিয়ে এসেই শুরু করে ডাকাত জুসেদ এর অপরাধ মূলক কর্মকান্ড।
এরই ধারাবাহিকতায় পুরান ভাগ মহল্লার জনৈক ফাতেমা বেগম এর বাড়িতে তার দলবল নিয়ে ডাকাতি করতে গিয়ে লোকজন দেখে ফেলায় ব্যর্থ হয়ে পালিয়ে যায়।
কিন্তু ডাকাত জুসেদকে চিনতে পেরে এলাকাবাসী বিভিন্ন জায়গায় খুঁজাখুঁজি করে সকালে মহল্লার ভিতর থেকে ডাকাতকে আটক করেন এলাকাবাসী।
পরে তাকে বেঁধে এনে রাখা হয় মহল্লার ভিতরে।
এসময় উত্তেজিত জনতা নানান অভিযোগ তুলে তাকে গণধোলাই দেন। পরবর্তীতে মহল্লাবাসীর সিদ্ধান্তে কুখ্যাত ডাকাত জুসেদকে শত,শত লোকজন বেঁধে থানা পুলিশে সোপর্দ করার উদ্যেশে থানায় নিয়ে যায়।
এলাকাবাসী প্রশাসনের নিকট জোরালো দাবী জানান,কুখ্যাত ডাকাত জুসেদ এর মতো সদরের ভিতরে যতো চিহ্নিত তালিকা ভুক্ত ডাকাত ও মাদক(ইয়াবা) ব্যবসায়ীদের গডফাদার রয়েছে তাদেরকে ক্রসফায়ার দেওয়ার দাবি করেন।
ওদেরকে থামাতে পারলেই বানিয়াচং উপজেলায় অপরাধ মূলক কর্মকান্ড কমে যাওয়ার সম্ভবনা করেন সচেতন মহল। ডাকাত জুসেদকে থানায় সোপর্দ করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ।
এ ব্যাপারে বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) শরীফ আহমেদ এর সাথে তাহার সরকারি মুঠোফোন নাম্বারে বেলা ১টা ৪১মিনিটে যোগাযোগ করলে নাম্বারটি ওয়েটিং থাকার পরও বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করে এবং উনার হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারেও ডাকাত জুসেদকে কি মামলায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং অপরাধ নির্মূলে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করে জানতে চাওয়া হলে উনার কোন সাড়া না পাওয়ায় বক্তব্য জানা সম্ভব হয় নাই।
বিষয়: #চুরি #ঝিলকি #ডাকাত #ডাকাতি #মারা










জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি’র নবীগঞ্জ শাখার কমিটি গঠনের লক্ষে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
‘সরকারের যোগ্যতার কারণে দেশে জ্বালানি তেলের সংকট বা দাম বাড়েনি’
লারিজানিকে হত্যা ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
খাল খনন কর্মসূচি দারিদ্র বিমোচনে ভূমিকা রাখবে: ত্রাণমন্ত্রী
চাঁদ দেখা যায়নি, সৌদি আরবে ঈদ শুক্রবার
গোয়াইনঘাটে বালু সিন্ডিকেটের মূলহোতা আলী হোসেন গ্রেফতার: বাদিকে মামলা প্রত্যাহারের হুমকি
সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদে প্রশাসকের দায়িত্ব নিলেন মিজান চৌধুরী
নবীগঞ্জে পরকীয়ার বলি শাশুড়ী! র্যাব- পুলিশের যৌথ অভিযানে আলোচিত পুত্রবধু তামান্না গ্রেফতার
নবম মৃত্যুবার্ষিকীর স্মরণের আলোয় ভোলার বীরমুক্তিযোদ্ধা গাজী আব্দুর রউফ ।।
সুন্দরবনের দস্যু নানা বাহিনীর কাছে জিম্মি থাকা ৬ জেলে উদ্ধার 