শিরোনাম:
ঢাকা, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বজ্রকণ্ঠ "সময়ের সাহসী অনলাইন পত্রিকা", ঢাকা,নিউ ইয়র্ক,লন্ডন থেকে প্রকাশিত। লিখতে পারেন আপনিও। বজ্রকণ্ঠ:” সময়ের সাহসী অনলাইন পত্রিকা ” আপনাকে স্বাগতম। বজ্রকণ্ঠ:: জ্ঞানের ঘর:: সংবাদপত্র কে বলা হয় জ্ঞানের ঘর। প্রিয় পাঠক, আপনিও ” বজ্রকণ্ঠ ” অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ” বজ্রকণ্ঠ:” সময়ের সাহসী অনলাইন পত্রিকা ” কে জানাতে ই-মেইল করুন-ই-মেইল:: [email protected] - ধন্যবাদ, সৈয়দ আখতারুজ্জামান মিজান

Bojrokontho
বুধবার ● ৬ নভেম্বর ২০২৪
প্রথম পাতা » ইতিহাস ও ঐতিহ্য » রেডিও অতীত দিনের বহুল জনপ্রিয় একটি যন্ত্র ছিলো
প্রথম পাতা » ইতিহাস ও ঐতিহ্য » রেডিও অতীত দিনের বহুল জনপ্রিয় একটি যন্ত্র ছিলো
৪৪৫ বার পঠিত
বুধবার ● ৬ নভেম্বর ২০২৪
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

রেডিও অতীত দিনের বহুল জনপ্রিয় একটি যন্ত্র ছিলো

মিজানুর রহমান মিজান::
রেডিও অতীত দিনের বহুল জনপ্রিয় একটি যন্ত্র ছিলো
উনিশ শতকের আশির দশক পর্যন্ত জনপ্রিয়তার তুঙ্গে ছিল রেডিওর প্রচলন।গ্রামের মানুষের দৈনন্দিন দেশ-বিদেশের খবরাখবর জানা ও শুনা, সঙ্গীত শ্রবণের একমাত্র মাধ্যম ছিল বিভিন্ন কোম্পানীর নানাবিধ মডেলের তৈরীকৃত ট্রানজিস্টার বা রেডিও।বলা যায় রেডিও ছিলো তখন গ্রামের মানুষের বিনোদনের একটি মাধ্যম।এ রেডিও আবার পরিচালিত হতো একের অধিক ব্যাটারির মাধ্যমে।তখন গ্রামে বিদ্যুৎ ছিলো না।গ্রামের মানুষ ভাবতেন বিদ্যুৎ শুধু মাত্র শহরভিত্তিক।গ্রামের জন্য তা প্রযোজ্য নয়।কিন্তু আজ বাংলাদেশের গ্রামের প্রত্যেকটি ঘর বিদ্যুতায়িত।১৯৭৭ সালে আমি যখন মদন মোহন কলেজে পড়াশুনা করি।তখন একদিন এক বন্ধুর নিকট থেকে শুনতে পেলাম ন্যায্যমুল্যে মাত্র একশত পচিশ টাকায় চায়নার তৈরীকৃত রেডিও জিন্দাবাজারে একটি দোকানে মিনি সাইজের বিক্রি হচ্ছে।অবহিত হয়ে আমরা বেশ কয়েকজন ক্লাসমিট ঐ দোকানে যাই এবং পরদিন মোট ছয়জন বন্ধু ছয়টি রেডিও কিনি।এ রেডিওগুলির বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল মাত্র একটি ব্যাটারি দ্বারা পরিচালনা করা যেত।অনেকের রেডিও অল্পদিনের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যায়।কিন্তু আমার রেডিওটি ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত ব্যবহার করে সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্তায় রেখে প্রবাসের পথে পা বাড়াই।সে সময় কিন্তু রেডিও’র লাইসেন্স করার বিধান ছিলো।১৯৬৮ সালে তখনকার সময়ে গ্রামের মেয়েরা লেখাপড়া করতেন না বা অভিভাবকমহল মেয়েদের স্কুলে পাঠাতেন না।সে সময় পাঠশালা উত্তীর্ণ এক মেয়ের বিয়েতে পিতৃপক্ষ থেকে অন্যান্য মালামালের সহিত একটি রেডিও প্রদান করা হয়।শশুর বাড়ি এসে ঐ মহিলা অধিক সময় রেডিও হাতে রাখতেন,শুনতেন খবর,গান ইত্যাদি।তা দেখে মহিলার ছোট ছোট দেবর,ননদরা ব্যঙ্গ করে ভাবীকে ডাকতেন ‘রেডিও’র মা বলে।এ নামে ডাকলে মহিলা অনেক খুশি হতেন বলে মনে হত।আজ রেডিও’র নাম নিশানা গিয়েছে মুছে।আজ আর কেউ আদরে বা অনাদরে এ নামটি মুখে নিতে শুনি না।



বিষয়: #  #  #  #  #  #


আর্কাইভ

সিলেট শহরের সকল হবিগঞ্জী --- --- --- --- --- --- --- ---

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
ঢাকা-করাচি ফ্লাইট চালাতে বিমান বাংলাদেশকে অনুমতি দিলো পাকিস্তান
রিজার্ভ ছাড়ালো ৩৩ বিলিয়ন ডলার
ড. কামাল হোসেন গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি
৭ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ, শনিবারও থাকতে পারে ঘন কুয়াশা
দৌলতপুরে পরিত্যক্ত অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধের সময়ের একটি মর্টার শেল উদ্ধার করেছে পুলিশ
ছাতকে নাশকতা মামলার পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার
শামীমা বেগমের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে স্ট্রাসবার্গ আদালত
নিকটজন হারানোর শূন্যতা পেরিয়ে পুরো দেশই আমার পরিবার : তারেক রহমান
জামিন নিতে এসে পিটুনিতে প্রাণ গেল আইনজীবীর
বছরের প্রথম দিন ঢাকায় তাপমাত্রা নামল ১৩ ডিগ্রিতে