শুক্রবার ● ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
প্রথম পাতা » দেশব্যাপী সংবাদ » সুনামগঞ্জ–৫ আসন বিপুল ভোটের ব্যবধানে মিলন নিবাচিত
সুনামগঞ্জ–৫ আসন বিপুল ভোটের ব্যবধানে মিলন নিবাচিত
ছাতক সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি::
![]()
সুনামগঞ্জ - ৫ (ছাতক - দোয়ারাবাজার) আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন। তিনি মোট ১ লাখ ৫১ হাজার ৯১৫ ভোট পেয়ে নিরঙ্কুশ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিজয়ের মুকুট অর্জন করেছেন।
এ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন মোট ভোটারের ৫০.০১ শতাংশ। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বিদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আবু তাহির মুহাম্মদ আব্দুস সালাম,তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২ হাজার ১২১ ভোট। এছাড়া খেলাফত মজলিস প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল কাদির পেয়েছেন ২ হাজার ২৭৮ ভোট। জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন ১ হাজার ৫২৪ ভোট, এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টি–এনপিপির মো. আজিজুল হক পেয়েছেন ৪৩৩ ভোট।
গণভোটেও উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। মোট ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯২৪ জন ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদান করেছেন, আর ৭৬ হাজার ৫৩০ জন ভোটার ‘না’ ভোটের পক্ষে মত দিয়েছেন।
রাজনীতিতে কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনের চার দশকের পথচলা বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ–সাংগঠনিক সম্পাদক ও সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন দীর্ঘ চার দশকের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক সুপরিচিত নাম। তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি সুনামগঞ্জ–৫ এলাকার উন্নয়ন, আন্দোলন এবং সাংগঠনিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু ছাত্রজীবনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল—জাসদ–এর মাধ্যমে। ১৯৮৮ সালের চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছিল তার জীবনের প্রথম বড় অর্জন, যখন জাসদের প্রার্থী হিসেবে তিনি সুনামগঞ্জ—৫ আসন থেকে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এটি ছিল তৎকালীন রাজনৈতিক বাস্তবতায় এক উল্লেখযোগ্য সাফল্য।
১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে দ্বিতীয়বার নির্বাচিত হন। একই বছরের জুনে অনুষ্ঠিত সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপি–তে যোগ দেন এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করার কাজ শুরু করেন। যদিও সে নির্বাচনে তিনি পরাজিত হয়েছিলেন, পরবর্তীতে তিনি দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে দ্রুত এগিয়ে যান।
২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মিলন আবারও বিজয়ী হন। এরপর সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক, সাধারণ সম্পাদক এবং আহবায়ক হিসেবে দলের প্রতি তার নেতৃত্বগুণ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন। তবে দলের প্রতি তার আনুগত্য এবং সাংগঠনিক দক্ষতা তাকে আরও উঁচু অবস্থানে নিয়ে যায়। ২০১৭ সালে তিনি সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন ।
এবারের বিজয়—সংগঠিত বিএনপি ও জনসমর্থনের প্রতিফলন সুনামগঞ্জ—৫ আসনে কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনের এবারের জয়কে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা দীর্ঘদিনের তৃণমূলভিত্তি, সংগঠন পরিচালনার অভিজ্ঞতা এবং ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতার ফল হিসেবে দেখছেন।
ছাতক–দোয়ারাবাজারের সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও তার উন্নয়নমুখী ভাবনা ও রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা নতুন করে আশা জাগিয়েছে।
এলাকাবাসীর মতে, এই বিজয় শুধু একজন প্রার্থীর নয়—এটি সুনামগঞ্জ—৫ আসনে পরিবর্তন, আশা এবং জনগণের অভিমতের সুস্পষ্ট প্রতিফলন।
বিষয়: #আসন #নিবাচিত #বিপুল #মিলন #সুনামগঞ্জ




দৌলতপুর বিএনপি’র প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে রেজা আহমেদ বেসরকারি ভাবে বিজয়ী
সুনামগঞ্জে ৫টিতেই জয়লাভ করলেন বিএনপি-জমিয়ত জোটের প্রার্থীরা
নওগাঁ-৬ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী রেজাউল ইসলাম বিজয়ী
সারজিস আলমকে হারিয়ে নওশাদ জমিরের জয়
জননেতা নাছির উদ্দিন চৌধুরী : কালো টাকা ও প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জনগনের ভালবাসায় বিপুলভোটে বিজয়ী এক জন্মগত জনপ্রতিনিধি
সমীকরণ:-ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন হবিগঞ্জ-২ আসনে ঝুকিপূর্ণ ২০টি সেন্টার। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে ঘড়ি থাকলে-ও জামানত হারাতে পারে ৩ প্রার্থী।।বিজয়ের পথে ধানের শীষ।
সুনামগঞ্জ রিটার্নিং অফিসার ইলিয়াসের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেও বিচার পাননি নাছির চৌধুরী
ধানের শীষে বিশাল ভোটে সমীকরণ সুনামগঞ্জ–৫ আসনে বিএনপির পক্ষে আওয়ামীলীগের
ভোটের আর একদিন সুনামগঞ্জ–৫ আসন বিএনপি–জামায়াত মুখোমুখি, শেষ মুহূর্তের উত্তপ্ত
