শিরোনাম:
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বজ্রকণ্ঠ "সময়ের সাহসী অনলাইন পত্রিকা", ঢাকা,নিউ ইয়র্ক,লন্ডন থেকে প্রকাশিত। লিখতে পারেন আপনিও। বজ্রকণ্ঠ:” সময়ের সাহসী অনলাইন পত্রিকা ” আপনাকে স্বাগতম। বজ্রকণ্ঠ:: জ্ঞানের ঘর:: সংবাদপত্র কে বলা হয় জ্ঞানের ঘর। প্রিয় পাঠক, আপনিও ” বজ্রকণ্ঠ ” অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ” বজ্রকণ্ঠ:” সময়ের সাহসী অনলাইন পত্রিকা ” কে জানাতে ই-মেইল করুন-ই-মেইল:: [email protected] - ধন্যবাদ, সৈয়দ আখতারুজ্জামান মিজান

Bojrokontho
শুক্রবার ● ৬ ডিসেম্বর ২০২৪
প্রথম পাতা » প্রধান সংবাদ » আজ মোংলা ও সুন্দরবন হানাদার মুক্ত দিবস
প্রথম পাতা » প্রধান সংবাদ » আজ মোংলা ও সুন্দরবন হানাদার মুক্ত দিবস
৩৩৪ বার পঠিত
শুক্রবার ● ৬ ডিসেম্বর ২০২৪
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

আজ মোংলা ও সুন্দরবন হানাদার মুক্ত দিবস

মনির হোসেন, মোংলা

আজ ৭ ডিসেম্বর। মোংলা ও সুন্দরবন এলাকা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাক হানাদার বাহিনীকে হটিয়ে এ এলাকা শত্রুমুক্ত করেন।
আজ মোংলা ও সুন্দরবন  হানাদার মুক্ত দিবস

মোংলা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার ও সাবেক পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আব্দুর রহমান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ৯ নম্বর সেক্টর কমান্ডার মেজর এম.এ জলিল, সাব সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়া উদ্দিন আহমেদ ও কবির আহমেদ মধুর নেতৃত্বে ৭ ডিসেম্বর মোংলা বন্দর ও সুন্দরবন এলাকা সম্পূর্ণভাবে শত্রুমুক্ত হয়। তখন সুন্দরবনে স্থাপিত পাঁচটি ক্যাম্পে সেনা কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধায়নে দামাল ছেলেদের দেওয়া হতো প্রশিক্ষণ। প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা সেখান থেকে সুবিধা মতো আক্রমণ চালাতেন মোংলা, মোড়লগঞ্জ, রামপাল, শরণখোলা ও পিরোজপুরসহ বিভিন্ন এলাকার পাক বাহিনীর ক্যাম্পগুলোতে।

এছাড়া ওই সময়ে মোংলা বন্দরের পশুর নদীতে থাকা পাক হানাদার বাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ এম.ভি মাকরনও ধ্বংস করা হয়। স্বাধীনতার অনেক পরে মোংলা পোর্ট পৌরসভার পক্ষ থেকে পৌর পার্ক এলাকায় নির্মিত হয়েছে একটি যুদ্ধ জাহাজ সংবলিত মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ ও আরেকটি বিজয় স্তম্ভ।

ওই সময়ে পাক হানাদাররা নৃশংস গণহত্যা চালায় এ এলাকার নিরীহ মানুষের উপর। এখনো সেই গণহত্যার স্মৃতি বহন করছে মোংলার দামেরখন্ড ও রামপালের ডাকরার বধ্যভূমি।

শেখ আব্দুর রহমান আরও বলেন, আমরা যারা ৯ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিলাম তাদের নেতৃত্বে ছিলেন সুন্দরবন অঞ্চলের সাব সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়া উদ্দিন আহমেদ। মেজর জিয়া, মুক্তিবাহিনী ও নৌ কমান্ডের ত্রিমাত্রিক আক্রমণে পিছু হটতে বাধ্য হয় পাক সেনারা। পশুর নদীতে পাক বাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ মাকরনে মাইন বসিয়ে তা ডুবিয়ে দেয় মুক্তি নৌ কমান্ডের সদস্যরা। এরমধ্য দিয়েই ৭ ডিসেম্বর পুরোপুরি হানাদার মুক্ত হয় মোংলা ও সুন্দরবন।



বিষয়: #  #  #  #  #



আর্কাইভ

---

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
সিলেটের ব্যবসায়ীরা মানছেন না যে নির্দেশনা
সিলেটে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস
বঙ্গবন্ধুর ১০৬তম জন্মদিন আজ
সুনামগঞ্জে খাল খনন কর্মসুচির উদ্বোধন করলেন হুমায়ূন কবির
ঈদ উপলক্ষে ভোলার নৌপথে নিরাপত্তা জোরদার করেছে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন
দেশের সব স্কুলে মিড ডে মিল চালু করা হবে: ববি হাজ্জাজ
স্কুলে ভর্তিতে লটারি ব্যবস্থা বাতিল
পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
আজ অফিস শেষে ৭ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীরা
ইরানে হামলা অব্যাহত রাখতে ট্রাম্পকে সৌদি যুবরাজের আহ্বান
সৈয়দপুরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
একযোগে ৫৪ জেলায় খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
ছাতকে সিআর ওয়ারেন্টসহ ৩ আসামি গ্রেফতার
সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন মিজান চৌধুরী : অভিনন্দন জানালেন ৫ এমপি
কোস্টগার্ডের অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ খবির মোল্লা গ্রুপের ৭ সদস্য আটক
রাণীনগরে পুকুর খননের নামে মাটি বিক্রির মহোৎসব ।। অনুমতি ছাড়াই পূরণ হচ্ছে ফসলী জমি,ম‍্যানেজ প্রক্রিয়ায় চলছে
দুদকের মামলার আসামি হয়েও দুই বছর বহাল
তালায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু
প্রবাসীদের দাবি-দাওয়া আদায়ে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের জোরালো ভূমিকার অঙ্গীকার
সুনামগঞ্জে ফসল রক্ষা বাঁধে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও প্রশাসনের দুর্নীতি প্রতিরোধে অবস্থান কর্মসুচি