সোমবার ● ২৮ অক্টোবর ২০২৪
প্রথম পাতা » প্রধান সংবাদ » বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ চেস্টাসহ নানাভাবে হয়রানির শিকার
বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ চেস্টাসহ নানাভাবে হয়রানির শিকার
বজ্রকণ্ঠ নিজস্ব প্রতিবেদক

বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ চেস্টাসহ নানাভাবে হয়রানির শিকার হয়ে মামলা করতে গেলেও রংপুর মেট্রোপলিটন কোতয়ালী থানা পুলিশের বিরুদ্ধে না নেয়ার অভিযোগ করেছেন এক প্রবাসির স্ত্রী।
বিকেলে রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন দক্ষিন কোরিয়া প্রাবাসি তারেক হোসেন রাকিবের স্ত্রী মোছাঃ আসমা আক্তার পলাশ। এসময় তার সাথে ছিলেন ১২ বছরের একমাত্র সন্তান বায়েজিদসহ স্বজনরা। আসমার অভিযোগ, আমি ১৬ বছর থেকে আমার শাশুড়ীর কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমিতে বসবাস করে আসছি।
আমার স্বামী ৫ বছর থেকে দেশের বাইরে থাকার সুবাদে তার ওয়ারিশদের মধ্যে মিনারা, মরিয়ম, মোতলেব হোসেন বাদল, মেহবুব হোসেনসহ অন্যান্যরা বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদের চেস্টা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় তারা আমার এবং আমার সন্তানের ওপর হামলা চালায়। এ বিষয়ে আমি ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর কোতয়ালী থানায় মামলা দিতে গেলে থানায় মামলা নেয় নি। এরপর আমি আদালতে মামলা করি। উল্টো তারা আমার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে। এখন সন্তানকে অপহরণসহ নানাভাবে হুমকি ধামকিদ দিচ্ছে। আমি সরকারের কাছে আমার ও আমার পরিবারের নিরাপত্বা চাই। এ ব্যপারে মোবাইলে কোতয়ালী থানার ওসি জানান, বিষয়টি আমার নলেজে ছিল না।
বিষয়: #উচ্ছেদ #চেস্টাসহ #বসতবাড়ি #শিকার #হয়রানি










মহম্মদপুরে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় শিবির কর্মী আটক, এলাকায় চাঞ্চল্য
দুই বাস মালিক সমিতির দ্বন্দ্বে অচল হবিগঞ্জ-সিলেট রুট: এক সপ্তাহ ধরে চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা, সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি
খালি থালা হাতে সিলেটে হাজারো হকারের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল স্থবির
যশোর জেলা যুবলীগের সভাপতি মোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরী গ্রেপ্তার
হবিগঞ্জ বাস সিন্ডিকেটের বিষবৃক্ষ: জাহিদুলের বিচার ও সাধারণ মালিকদের মুক্তির সংগ্রাম
দীর্ঘ ৮ বছরের তদন্ত শেষে বিচারের আওতায় ধর্মীয় নেতা: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
কর ফাঁকির অভিযোগ থেকে মুক্তি পেলেন অ্যাঞ্জেলা রেনার: ব্রিটিশ রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের আভাস
সিলেটে এসএ পরিবহনে পুলিশের হানা: ৭০ বস্তা চোরাই জিরাসহ ট্রাক আটক, নেপথ্যে সাংবাদিক!
বড়লেখায় শিশুকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে দোকানদার আটক
৩ বিলিয়ন ডলারের পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প অনুমোদন: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ‘লাইফলাইন’ নাকি নতুন পরিবেশগত ঝুঁকি? 