শনিবার ● ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
প্রথম পাতা » দেশব্যাপী সংবাদ » সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ
আল হেলাল,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :
![]()
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম দুর্নীতি,ক্ষমতার অপব্যবহার এবং প্রকৃত কৃষকদের বাদ দিয়ে কোথায়ও কোথায়ও ‘পকেট কমিটি’ গঠনের অভিযোগ উঠেছে। নিয়ম মেনে প্রকল্পের বড় অংশ সম্পন্ন করার পরও রহস্যজনকভাবে ৪৪,৪৮ ও ৫০নং পিআইসিসহ বেশ কয়েকটি অপ্রয়োজনীয় (প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি) পিআইসি গঠনের মাধ্যমে পাউবো কর্মকর্তা কর্মচারীরাই পিআইসি ভাগিয়ে নিয়েছেন মর্মে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। জানা গেছে,দিরাই উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সর্বাধিক ১৩০টি পিআইসি অনুমোদন করা হয়েছে। অথচ তুলনামূলকভাবে আগের বছরগুলিতে এত বেশি পিআইসি ছিলনা। তাছাড়া গতবছর বন্যা না হওয়ায় পূর্বের বছরের অনেক পিআইসি কার্যত অক্ষত ছিল। শুধুমাত্র মাটির প্রলেপ দিয়ে আংশিক মেরামত করত: পিআইসির নামে বরাদ্দকৃত অর্থ পকেটভারী করছেন পাউবোর কর্মকর্তা কর্মচারী ও তাদের ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট। ২১ ফেব্রুয়ারি এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জানা যায়,উপজেলা নির্বাহী অফিসারের তথ্য বাতায়নে কেবলমাত্র ৫২টি পিআইসির তথ্য আপলোড রয়েছে। বাকীগুলো রহস্যজনক কারণে আড়াল করে রাখা হয়েছে। এছাড়া হাওরে বাঁধের শুরুতে পিআইসি প্রকল্পের সাথে জড়িতদের নাম ঠিকানা ও মোবাইল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্যে লেখা সাইনবোর্ড রাখার নিয়ম থাকলেও অনেক পিআইসিতে কোন সাইনবোর্ড রাখা হয়নি। অধিকাংশ পিআইসির কাজ করা হয়েছে পিআইসির দুই পাশের মাটি কেটে। এতে করে প্রতিটি বাঁধের কাজই দূর্বল হয়েছে। এলাকাবাসী জানান,জগদল ইউনিয়নের ভাটিরগাঁও গ্রামে একটি কবরস্থানের পাকা দেয়াল ঘেষে ৫০ নং পিআইসি প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে। এটির বেশিরভাগ অংশই হচ্ছে অপ্রয়োজনীয়। ভাটিরগাঁও গ্রামের শাহান মিয়া সভাপতি হিসেবে ঐ পিআইসির কাজ করতে গিয়ে বাঁধের দুই পাশের কৃষিজমির ক্ষতিসাধন করেছেন। ৪৮ নং পিআইসির কাজ ভাগিয়ে নিয়েছেন চাঁনপুর গ্রামের রমজান মিয়া। ঐ পিআইসির ২৫ ভাগ কাজও তিনি শেষ করেননি। তাছাড়া গত বছর ঐ পিআইসি অক্ষত থাকায় এবার মাটির প্রলেপ দিয়ে দায়সারাভাবে সম্পন্ন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। কুলঞ্জ ইউনিয়নের রাড়ইল গ্রামের সাবাজ মিয়াও একইভাবে সভাপতি হিসেবে পিআইসির কাজ ভাগিয়ে নিয়ে দায়সারাভাবে ৪৪ নং পিআইসির কাজ সম্পন্ন করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী (এসও) আব্দুল কাইয়্যুম প্রতিটি পিআইসির সভাপতির কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা আগাম ঘুষ নিয়ে অপ্রয়োজনীয় ও অতিরিক্ত বরাদ্দ মঞ্জুর করে প্রতিভূ লোকদের দিয়ে পিআইসি গঠন করেছেন বলেও কোন কোন ভূক্তভোগীরা জানিয়েছেন। জানতে চাইলে এ পর্যন্ত ৩২ পারসেন্ট বিল পেয়েছেন উল্লেখ করে দিরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার সনজীব সরকার (পরিচিতি নং ১৮২৭৯) বলেন,সভাপতি হিসেবে শুধুমাত্র বাধ্য হয়ে পিআইসি অনুমোদন করতে হয়। কিন্তু কোনটি অপ্রয়োজনীয় আর কোনটি প্রয়োজনীয় তা ফিল্ড ভিজিটের মাধ্যমে নির্ধারন করবে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও মনিটরিং কমিটি। এখন পর্যন্ত একজন কৃষক বা স্থানীয় সচেতন নাগরিকবৃন্দের পক্ষ থেকে এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ প্ওায়া যায়নি। এছাড়া সাংবাদিকদের প্রতিও আমার অনুরোধ আপনারা সকল পিআইসি দেখেন রিপোর্ট করেন। কোথায়ও অনিয়ম হলে আমাকে বলেন,আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নিব। তথ্য বাতায়নে সকল পিআইসির তথ্য আপলোড না থাকার ব্যাপারে তিনি বলেন,নির্বাচনী কাজের ব্যস্ততার জন্য আমরা সকল পিআইসির তথ্য আপলোড করিনি। এখন পাউবোকে বলে দেব সকল তথ্য আপলোড করার জন্য।
বিষয়: #অনিয়ম #অভিযোগ #উপজেলা #দিরাই #নির্মাণ #ফসল #বাঁধ #রক্ষা #সুনামগঞ্জ #হাওর










বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক জসীম উদ্দিন খন্দকার রচিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত
সুন্দরবন থেকে অস্ত্র-গুলিসহ করিম শরীফ বাহিনীর সহযোগী আটক
রাণীনগরে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত
ত্রিশালে মহান শহিদ দিবস পালিত
টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে পাঁচ মানব পাচারকারী আটক, উদ্ধার ৫৫
চাঁদপুরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক
মায়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দুটি বোটসহ ১৯ জনকে আটক করেছে নৌবাহিনী
চাঁপাইনবাবগঞ্জে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বীজ (কন্দ) উৎপাদনে কৃষকদের মাঝে উপকরণ বিতরণ
