বৃহস্পতিবার ● ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
প্রথম পাতা » প্রধান সংবাদ » উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ ভোটগ্রহণ
উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ ভোটগ্রহণ
বজ্রকণ্ঠ::
![]()
উৎসবমুখর পরিবেশে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের গ্রহণ। এর পর পরই শুরু হয়েছে ভোট গননা।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭ টায় শুরু হওয়া ৯ ঘণ্টার ভোটগ্রহণ শেষ হয় বিকলে সাড়ে ৪টায়।
ইসির তথ্য অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ দুপুর ২টা পর্যন্ত ৩৬ হাজার ৩১ কেন্দ্রে ৪৭.৯১ শতাংশ ভোট পড়েছে।
অন্যদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জরুরি সমন্বয় সেল তথ্য অনুযায়ী, দুপুর ২টা পর্যন্ত দেশের সব কেন্দ্রের মধ্যে পোলিং এজেন্টদেরকে বের করে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে ১৪টি স্থানে। সারাদেশে বিভিন্ন প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে ১৩৫ জায়গায়। দেশের সব কেন্দ্রের মধ্যে ৪৮৬টি ভোট কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে সারাদেশে ব্যালট বাক্স ছিনতাই হয়েছে তিনটি জায়গায়। ৬ জন প্রার্থীকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। ৫৯টি জালভোট দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ভোট দিতে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে ১৮টি। অগ্নিসংযোগের ঘটনা পাওয়া গেছে ৪টি স্থানে এবং নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির অবহেলার ঘটনা ঘটেছে ৩৩টি।
এবারের ভোট শুধু সংসদ সদস্য নির্বাচনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; সংবিধান সংস্কার ও নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থার বৈধতা দিতে একই দিনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঐতিহাসিক জাতীয় গণভোট।
এবারের নির্বাচনের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে বিরতিহীনভাবে চলে ভোটগ্রহণ। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত রয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। পরে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে গঠন করা হয় একটি শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন দায়িত্ব নেয়ার পর ভোটার তালিকা হালনাগাদ, সীমানা নির্ধারণ ও প্রস্তুতিমূলক কাজ সম্পন্ন করে। এর পরই গত ১১ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার জাতির উদ্দেশে ভাষণে নির্বাচনের মহাপরিকল্পনা বা তফসিল ঘোষণা করেন।
তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ছিল ৫ জানুয়ারি। মনোনয়নপত্র বাছাই চলে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। ১৪ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ হলেও পরবর্তীতে জোটের প্রার্থীদের ছাড় দেয়ার জন্য বিভিন্ন দলের অনুরোধে কিছু প্রার্থীর প্রতীক ব্যালটে রাখছে না নির্বাচন কমিশন। তফসিল ঘোষণার পরপরই দেশজুড়ে নির্বাচনী আমেজ শুরু হয় এবং প্রশাসনকে সম্পূর্ণভাবে নির্বাচন কমিশনের অধীন ন্যস্ত করা হয়।
এবার মোট ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন, যার জন্য সারা দেশে ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। নির্বাচনে ৫০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে এবং মোট ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যার মধ্যে দলীয় প্রার্থী ১ হাজার ৭৫৫ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর সংখ্যা ২৭৩ জন।
বিষয়: #উৎসবমুখর #পরিবেশে #ভোটগ্রহণ #শেষ




নওগাঁ-৬ আসনে নির্বাচিত হলেন শেখ রেজাউল ইসলাম রেজু
সুনামগঞ্জ-৫ আসনে ৫৩ হাজার ০৬৯ ভোটের ব্যবধানে ধানের শীষের প্রার্থী কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন নিবাচিত
দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করেন হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ- বাহুবল) আসনের পদপ্রার্থী বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ডক্টর রেজা কিবরিয়া’র সহধর্মিণী সিমি কিবরিয়া।
সুনামগঞ্জে ৫টিতেই জয়লাভ করলো বিএনপি
হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে ৩ কেন্দ্রে এগিয়ে নাহিদ ইসলাম
বিএনপি প্রার্থী সাবেক অ্যাটর্নি আসাদুজ্জামানের জয়
নির্বাচনী উত্তেজনায় খুলনায় প্রথম প্রাণহানি বিএনপি নেতার
ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমান এগিয়ে
সুনামগঞ্জ ৫ আসন ছাতকে ১০৪টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে
